শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৭ জুন, ২০২২, ০৩:২১ রাত
আপডেট : ২৭ জুন, ২০২২, ০৩:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অসাম্প্রদায়িক চাদর গায়ে সাম্প্রদায়িক ঘটনা!

মনজুরুল হক

মনজুরুল হক: নড়াইলে কী ঘটেছে জানেন তো? সেই সিম্পল সূত্র- একটা অসাম্প্রদায়িক চাদর গায়ে সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কমন ঘটনা। এক হিন্দু ছাত্রের কথিত অপরাধে নিরপরাধ হিন্দু অধ্যক্ষকে পুলিশের তত্ত্বাবধানে জুতার মালা পরিয়ে শহরে হাঁটিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখানে দুটো ডেভেলপমেন্ট হয়েছেÑ [১] উন্মত্ত ধর্মান্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশ যোগ দিয়েছে, মানে সরকারের নীতি যোগ দিয়েছে। [২] অধ্যক্ষ পুলিশ ডেকেছিলেন বিশৃঙ্খলা এড়াতে। পুলিশ অধ্যক্ষ এবং অভিযুক্ত ছাত্রকে জুতার মালা পরিয়ে শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে।

এবার বলুন, সরকার এবং ৯৫ ভাগ মুসলিমের প্রায় সকলেই জিগির তোলেনÑ ‘কতিপয় ধর্মান্ধ দুষ্কৃতিকারী এসব করে। এর সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই’ এই কথার উপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন তো? রাখতে হবে। তা না হলে দেশ ছাড়তে হবে। আমি মোটেও অবাক হইনি, কারণ কুড়ি-পঁচিশ বছর আগে থেকে এইসব ডিপার্টমেন্টে কীভাবে রিলিজিয়াস ওরিয়েন্টেশন হয়েছে, জানি। কী ভাবছেন, আপনি বেঁচে যাবেন? কারণ আপনি ধর্ম এবং ধর্ম সংশ্লিষ্ট কাউকে অবমাননা করেননি? তবুও বাঁচবেন না। দেবালয় পুড়লে শহরও পুড়বে, দেশও পুড়বে। ওই রাহুল দেব ছেলেটা স্পর্শকাতর কারও নাম নিয়ে পোস্ট দেয়নি। ভারতের বহিষ্কৃত বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার ছবি দিয়ে মন্তব্য করেছিল- প্রণাম নিও বস ‘নূপুর শর্মা’ জয় শ্রী রাম। তাতেই সকল শান্তির পায়রা আহত হয়েছে। আইন, রিট, আদালত, বিচার এসবে কোনো আস্থা নেই। ছোট্ট দুটো দাবী করি- [১] আইন করে হিন্দুদের শিক্ষক হওয়া নিষিদ্ধ করুন। [২] ধর্মপ্রাণ মুসলিম বাদে সবার ফেসবুক ব্যবহার নিষিদ্ধ করুন। লেখক ও ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়