শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৫ জুন, ২০২২, ১১:৫৪ রাত
আপডেট : ২৫ জুন, ২০২২, ১১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমানত, ঋণ, মুনাফা ও কিস্তি 

শামসুদ্দিন পেয়ারা

শামসুদ্দিন পেয়ারা:

১. মহাজনি ঋণের সুদ, 
২. ব্যাঙ্কের জমা রাখা টাকার মুনাফা ও 
৩. ব্যাঙ্ক থেকে নেয়া কর্জের কিস্তি পরিশোধ - তিনটি সম্পূর্ণ আলাদা ধরণের আর্থিক লেনদেন। 


  ১. প্রথমটি (মহাজনী ঋণ) গ্রহিতার অসহায়ত্বের কারণে গ্রহণ করা হয়, কোন‌ও লাভজনক খাতে বিনিয়োগ বা ব্যবহার করা হয় না এবং ঋণ পরিশোধের অর্থের যোগান দিতে গিয়ে বহুক্ষেত্রে খাতকের সম্পদহানি ঘটায় বিধায় পরিত্যাজ্য (হারাম)। 
  ২. দ্বিতীয়টি (ব্যাঙ্কে আপনার গচ্ছিত টাকার মুনাফা) আপনার আমানতের টাকা বিনিয়োগ করে ব্যাঙ্ক যে মুনাফা (লাভ) অর্জন করেছে তার‌ই একাংশ। এটা আপনার‌ই প্রাপ্য, আপনার হক (অবশ্যপ্রাপ্য) যা ব্যাঙ্ক আপনাকে প্রদান করতে বাধ্য, কাজেই সম্পূর্ণ বৈধ (হালাল)।
 ৩.  তৃতীয়টি (ব্যাঙ্ক থেকে কর্জ নেয়া ও কর্জের কিস্তি পরিশোধ করা)  আধুনিক যুগে ব্যবসা সম্প্রসারণ,  সম্পদবৃদ্ধি, আবাসন, শিক্ষা ইত‌্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় ঋণ প্রাপ্তির সবচেয়ে সহজ, স্বীকৃত ও সর্বজনীন উপায়। চাইবামাত্র ব্যাঙ্ক‌ঋণ পাওয়া যায় না। ঋণগ্রহীতা কোন উদ্দেশ্যে ঋণ চাইছে, তার ঋণ পরিশোধের সামর্থ আছে কি না - এসব সরেজমিনে তদন্ত করে তবেই ঋণ অনুমোদন করা হয়। কর্জের টাকা খাটিয়ে তা থেকে যে লাভ হয় সেই লাভের‌ই একাংশ ঋণগ্রহীতা তার কর্জের কিস্তি হিসাবে ব্যাঙ্ক-কে পরিশোধ করে। ব্যাঙ্ক যা যা করে (ব্যবসা করে) আমানতকারীকে মুনাফা দেয় ঋণগ্রহীতাও ঐ এক‌ই কাজ করে (ব্যবসা করে) ব্যাঙ্ক-কে মুনাফাসহ ঋণের টাকা পরিশোধ করে। এই পুরা প্রক্রিয়ায় সুদ বলে কিছু নেই।

  • সর্বশেষ