শিরোনাম
◈ কক্সবাজার থেকে ৫০ বাসে ফিরবেন আটকে পড়া পর্যটকরা ◈ টানা তিন দিন দেশে ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ডাটা বন্ধ থাকায় বিপাকে ফ্রিল্যান্সাররা ◈ বান্দরবান থমথমে, বেড়াতে গিয়ে ২ শতাধিক পর্যটক আটকা ◈ ছুটি মঙ্গলবারের পরও বাড়বে কি না, যা বললেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ◈ নগদ টাকা তুলতে বিপাকে গ্রাহকরা, এটিএম বুথে টাকার সংকট ◈ কমল পেঁয়াজ-মরিচ-আলুর দাম, বাড়ল পামওয়েলের ◈ কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্থগিত : নাহিদ ইসলাম ◈ কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারি ◈ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘নিয়ন্ত্রণে’ মোহাম্মদপুর ◈ আমিরাতে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তায় দাঙ্গা উস্কে দেওয়ার অভিযোগে ৫৭ জন বাংলাদেশির জেল

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২৩, ০৪:০৭ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৩, ১১:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : সালেহ্ বিপ্লব

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশ এখন  নির্ভরযোগ্য নাম: প্রধানমন্ত্রী

বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সালেহ্ বিপ্লব: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সংঘাত নয়, শান্তিতে বিশ্বাসী। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার সবই করবে বাংলাদেশ। আমরা যে কোনো সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।  সূত্র: বাসস

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অস্ত্র প্রতিযোগিতা চাই না। কারণ নারী, শিশু ও প্রতিটি পরিবার এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে। তাই তাদের এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য। বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা অতীতের চেয়ে এখন বেশি কঠিন। কারণ, অশুভ শক্তি প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের জীবনের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। প্রযুক্তির সাম্প্রতিক বিকাশ ও অগ্রগতির সাথে সাথে অশুভ শক্তির নতুন হুমকি বাড়ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তি মানুষকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ সব ক্ষেত্রে সুযোগ দিচ্ছে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমরা এটাও দেখছি যে- অপশক্তিগুলোও প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং মানুষের জীবনের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। কাজেই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষীদের জটিল বহুমাত্রিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। আর এজন্য উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে শান্তিরক্ষা মিশনকে সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ও বিপজ্জনক অঞ্চলে জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বদা বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করেছে। আমরা মিশন এলাকার পরিবেশ, আবহাওয়া এবং ভূখণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক, অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করছি।

তিনি আরো বলেন, সরকার শান্তিরক্ষীদের যোগাযোগের জন্য বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টে আধুনিক মাইন-প্রতিরোধী, অতর্কিত হামলা-সুরক্ষিত যানবাহন ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করেছে। আধুনিক প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করা একটি চলমান প্রক্রিয়া- যা আমরা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখব। 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশ ইন গ্লোবাল পিস’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। মিশনে নিহত পাঁচজন শান্তিরক্ষীর পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি পাঁচজন আহত শান্তিক্ষীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ইন্টারন্যাশনাল পিসকিপার জার্নাল উন্মোচন করেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়