শিরোনাম

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৩, ১২:২৫ রাত
আপডেট : ২২ মে, ২০২৩, ০৯:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মার্কিন দূতাবাসের সকল নিরাপত্তাকর্মী সব সময়ের মতোই বহাল আছে

আনিস তপন: বাড়তি ৮ নিরাপত্তাকর্মী প্রত্যাহার হলেও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ও দূতের নিরাপত্তায় এখনো রয়েছে ১৫৬ জন পুলিশ সদস্য। সম্প্রতি সরকারি এক নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদিআরব ও ভারতের ঢাকায় নিযুক্ত চার রাষ্ট্রদূতের বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা (এসকর্ট) প্রত্যাহার করা হয়। বাড়তি নিরাপত্তাসহ আগে মোট ১৬৪ জন্য পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছিল সরকার।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানায়, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাজধানীর গুলশান এলাকার হলিআর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় জামায়াত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ নামক সন্ত্রাসী জঙ্গী গোষ্ঠি। এই ঘটনায় বিদেশি নাগরিক, পুলিশ সদস্যসহ মোট ২৮ জন নিহত হয়। এসময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ছয়জন বন্দুকধারী নিহত ও একজনকে গ্রেপ্তার করে সামরিক বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব সদস্যদের নিয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী।

তাছাড়া এসময় সারাদেশে বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠির তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং একাধিক সন্ত্রাসী ঘটনা সংগঠিত হওয়ায় এসময় গুরুত্বপূর্ণ চার দেশের দূতাবাসসহ রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তায় ৮ জন করে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যের একটি দলকে নিয়োগ দেয় সরকার। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের এই দলটি রাষ্ট্রদূতের চলাফেরায় গাড়ি বহরের আগে-পিছে নিরাপত্তা বিধানে (এসকর্ট) নিয়োজিত ছিল।

অবশ্য এরআগে ২০০৪ সালে সিলেটে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দুই পুলিশসহ তিনজন নিহত হয়। তখন রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তায় প্রথম বাড়তি পুলিশ সদস্য নিয়োগ দিয়েছিল সরকার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি মিডিয়া উইং এর উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, আমাদের দেশের কয়েকজন রাষ্ট্রদূতের জন্য অতিরিক্ত যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল, যা প্রাপ্যতার বাইরে সেটা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাষ্ট্রদূতরা যখন বাইরে চলাফেরা করতেন তখন ট্রাফিক মুভমেন্ট নিরাপদ করতে অথবা কোন কারণে যদি বহরের কোন গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আরেকটা গাড়ি তৎক্ষণাত যোগার করা প্রায় অসম্ভব, সেক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে এই এসকর্টের গাড়ি ব্যবহারের সুবিধার লক্ষ্যে অতিরিক্ত বাহিনী নিয়োজিত ছিল। তাছাড়া নিরাপত্তায় নিয়োজিত কোন পুলিশ সদস্য যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক রিপ্লেস করতে সরকার বাড়তি কিছু সুবিধা দিয়েছিল। হলিআর্টিজান ঘটনার পর জঙ্গি ইস্যুসহ নানা হুমকি ছিল, যা এখন আর নাই। ফলে তাদের যে বাড়তি নিরাপত্তা সুবিধাটা দেয়া হত সেটা সরকার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তায় নিয়োজিত অতিরিক্ত সুবিধা যা দেয়া হত সেই ৮ জন সদস্য প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু বাসা,অফিসসহ অন্যান্য যেসব ক্ষেত্রে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আগে থেকেই যেসব পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল তারা এখনো আছে। সম্পাদনা: রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়