শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৩:৪৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জুনের মধ্যে ডিজেলচালিত বিদুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

মহসীন কবির: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জুনের মধ্যে ডিজেলচালিত বিদুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। কম দামে গ্রাহকের কাছে বিদুৎ সরবরাহ করাই সরকারের লক্ষ্য। তেল আমদানি বেসকারি খাতে উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শনিবার ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত 'এনার্জি ট্রান্সমিশন' শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ডিজেলভিত্তিক যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আগামী বছরের জুনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে, সেগুলোর মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না।

তিনি বলেন, ‘গ্যাসের দামবৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়েছে। কারণ, এখন আমাদের কাছে ডিপ সিতে (গভীর সমুদ্রে) এক্সপ্লোরেশনের জন্য অফার আসছে। আগে কোনো পার্টিই পাওয়া যায়নি। বদরুল ইমাম সাহেব একটা জাতীয় দৈনিকের মতামতে বলেছেন যে, কেন আমরা ডিপ সিতে এক্সপ্লোরেশনে গেলাম না তখন। কোনো পার্টিই তো ছিল না তখন। আমরা টেন্ডার দিয়েছি, কেউ আসেনি।... কারণ সে সময়ে গ্যাসের দাম অনেক কম ছিল।'

নসরুল হামিদ বলেন, ‘অনেক সময় বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন না যে, এখানে একটা বিজনেস কেস ইনভলবড। এটা এমন না যে গ্যাস পেলাম, কালকে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ব। বিজনেস কেসটা হলো খনন করলে সেটা ওই কোম্পানির জন্য লাভজনক হবে কি না। ফিসিবিলিটি ইজ দ্য মেইন থিং। ১০ বছর আগে কেন হয়নি? এই কারণেই হয়নি। ইট ওয়াজ নট ফিসিবল। আইওসি ২ ডলারে গ্যাস দেয়। আর সেখানে গিয়ে গ্যাস এক্সপ্লোরেশন করতে গেলে লাগবে ৭ ডলার। আমি যদি বলি ৫ ডলার দেবো, কেউ রাজি হবে? কেউ রাজি হয়নি। এটা বুঝতে হবে। এখন দাম বেড়েছে, এখন অনেক মানুষ আসছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কাউকে দোষ দেই না। যারা থিওরি নিয়ে কাজ করেন, তারা এ বিষয়টি বাইরে গিয়ে চিন্তা করেন না যে, কেন আসে না। কারণ, খনন কোম্পানিও ব্যবসা করতে চাচ্ছে। তারা এখানে ১০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, ৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। তারা তো বসে নেই যে ২ ডলার করে গ্যাস বিক্রি করবে। তারা চিন্তা করে, আগামী ১০ বছর লাগবে আমার গ্যাস এক্সপ্লোরেশন করে আসতে, সে সময় দাম কত হবে, সে সময় যদি দাম ড্রপ করে, তাহলে কী হবে। আদৌ কি চাহিদা থাকবে কি না। এখানে নানা জটিলতা আছে।'

বিদ্যুৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্রাহকের দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী ও সহনীয় দামে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পৌঁছে দেওয়াই মূল চ্যালেঞ্জ। সেই সঙ্গে বেসরকারি খাত চাইলে তেল-গ্যাস আমদানি করতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। সময় টিভি , ঢাকা টাইমস 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়