শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০২:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০২:৫৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে 

কাদেরিয়া তৈয়বা মাদ্রাসার অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন ৫০ হাজার বিহারী বাঙালী

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী  উপলক্ষে মিছিল

শাহীন খন্দকার: ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উপলক্ষে পাকিস্তান থেকে পীর হাফেজ সৈয়দ মোহম্মদ তাহের শাহ. মা. জা. আ. জিল্লুর আালী সাহেবসহ তার মুরিদানরা এসেছেন। তিনি মোহম্মদপুর আজিজ মহল্লা কাদেরিয়া তৈয়বা মাদ্রাসায় বৃহস্পতিবার ওয়াজ মাহফিলে অংশ নেবেন ও মুরিদান করবেন। বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদদের এ ওয়াজ মাহফিলে সারাদেশ থেকে ৫০ হাজারের অধিক আটকে পরা পাকিস্তানিরা (বিহারী) ঢাকায় এসেছেন। 

রাজধানীর মোহম্মদপুর আজিজ মহল্লা কাদেরিয়া তৈয়বা মাদ্রাসা থেকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী  উপলক্ষে একটি মিছিল ঢাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। মসজিদ কমিটির  সদস্য হাসান আলী বেগ বলেন, আগামী ৯ অক্টোবর ১২ রবিউল আওয়াল, এশিয়ার সর্ববৃহৎ জশনে জুলুসে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালিত হবে বৃহত্তর চট্টগ্রামে। সেখানে দেশ বিদেশের প্রায় ৫০ লাখ সুন্নি মুসলানের সমাগম হবে।

বাংলাদেশের বসবারত পাকিস্তানি মুসলমানসহ সকল সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ের মুসলিমরা এই দিনকে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করেন। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের কাছে এই দিন নবী দিবস নামে পরিচিত। তিনি আরও বলেন, হিজরী ৪র্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে মিলাদুন্নবী উদযাপন শুরু হয়। রাসূল, আলী, ফাতেমা, হাসান ও হুসাইন এর জন্মদিন, এসবের মূল প্রবর্তক ছিল খলিফা আল মুয়িজ্জু লি-দীনিল্লাহ।
এখানে উল্লেখ্য যে, মিশরের এইসব অনুষ্ঠানাদি তখনো মুসলিম বিশ্বের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়েনি। পরবর্তীতে যিনি ঈদে মিলাদুন্নবীকে মুসলিমবিশ্বের অন্যতম উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, তিনি হলেন, ইরাক অঞ্চলের ইরবিল প্রদেশের আবু সাঈদ কুকবুরী।

৭ম হিজরী থেকে আনুষ্ঠানিক মিলাদ উদযাপন শুরু হয়। মিলাদের উপর সর্বপ্রথম গ্রন্থ রচনা করে আবুল খাত্তাব ওমর ইবনে হাসান ইবনে দেহিয়া আল কালবী। সম্পাদনা: রাশিদ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়