শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৪:৪২ দুপুর
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৪:৪২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিনিকেট নামে ধানের কোন জাত নেই: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

মতবিনিময় সভা

শাহীন খন্দকার: মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মিনিকেট নামে ধানের কোন জাত নেই। বুধবার সকালে গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে কৃষিক্ষেত্রে গবেষণা এবং মাঠ পর্যায়ে জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, চালের বস্তায় ধানের জাত লেখার জন্য মিল মালিকদের চিঠি দেয়া হয়েছে। এটি না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সচিব বলেন, মিনিকেট বলে কিছু বিক্রি করা যাবে না। এখন থেকে মিল থেকে যে চাল বের হবে তার বস্তায় জাত লিখে দিতে হবে। কেউ যদি এটা ব্যত্যয় করে সেক্ষেত্রে অ্যাকশনে যাব আমরা।

গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালযয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব ড. নাহিদ রশীদ, কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাজাহান কবীর। এর আগে মন্ত্রী পরিষদ সচিব ধান মিউজিয়াম ও কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

উল্লেখ্য, মিনিকেট নামে দেশে কোনো ধানের চাষ না হলেও, বাজারে মিনিকেট চালে সয়লাব। অভিযোগ আছে বাজারের জনপ্রিয় এই চাল তৈরি হয়,অন্য চাল মেশিনের সাহায্যে ছেঁটে। তবে এমন অভিযোগ বারবার নাকচ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

ইতিমধ্যে বাজারে মিনিকেট নামে চাল থাকবে না এমন বক্তব্যও দিয়েছেন সরকারের কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়। এখন ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিনিকেট এখন একটি ব্র্যান্ড, এই নামে চাল না থাকলে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের এক অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, দেশে মিনিকেট বলে কোনো চাল নেই। তবু ব্যবসায়ীরা মিনিকেট নামে চাল বাজারজাত করছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়