শিরোনাম
◈ এবার যৌথভাবে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সালমান মুক্তাদির ◈ বন উজাড় বাড়ছে, খাদ্য ও জলবায়ু নিরাপত্তা নিয়ে এফএওর বড় সতর্কবার্তা! ◈ এবার যুক্তরাজ্যকে সরাসরি পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলো রাশিয়া! ◈ প্রধানমন্ত্রীর ১০ বছরের মেয়াদসীমা নিয়ে যে মতামত এলো ◈ রাজস্ব আদায় কম, ব্যাংক ঋণে সরকারের নির্ভরতা বাড়ছে ◈ অভিমান করে লাপাত্তা ৩ কিশোরী অতঃপর... ◈ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সি‌লের পরবর্তী সভাপতি তামিম ইকবাল?  ◈ কারাগারে কয়েক বন্দির জন্য লাক্সারি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়ায় ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে ◈ ২০২৭ সালের হজে নতুন প্যাকেজ, এক চুক্তিতেই থাকা-খাওয়া-যাতায়াত

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৪ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাড়াবাড়ি করলে বলবো তোরা ‘রাজাকার-আলশামস-আলবদর’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী (ভিডিও)

জুলাই বিপ্লব কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং বিগত ১৩-১৪ বছর ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের পুঞ্জীভূত লাভার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বিরোধী দলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না।

বেশি খোঁচালে আমরা সেই ইতিহাস ভুলে যাইনি, তখন বলতে ইচ্ছা করে, তোরা রাজাকার, তোরা আলশামস, তোরা আলবদর।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

advertisement

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

জুলাই বিপ্লব আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের মতো উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভূগোল পড়লে জানা যায়, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত একদিনে ঘটে না।

লাভা অনেক আগে থেকেই সৃষ্টি হয়। জুলাই বিপ্লবের সৃষ্টি শুরু হয়েছে সেই ১৩-১৪ বছর আগে থেকে।
আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল তিলে তিলে যে আগুনের সৃষ্টি করেছে, তা জুলাই মাসে জ্বলে উঠে ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছে।

সরদার সাখাওয়াত বলেন, আজকে যারা গণতন্ত্রের সবক দিতে চায়, তারা ৭১-কে ২৪-এর সাথে সম্পৃক্ত করে খাটো করতে চায়। আমরা বীরত্বের সাথে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান ঐক্যের ডাক দিয়েছেন বলে আমরা ধৈর্য ধরছি। কিন্তু আদর্শের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনও সমঝোতা হবে না। আমাদের সমঝোতা কেবল দেশের উন্নয়নের স্বার্থে।

২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মুক্তিযোদ্ধা এই মন্ত্রী বলেন, সাফমা কনফারেন্সে পাকিস্তানে গিয়েছিলাম। সেখানে এক পাকিস্তানি এমপি আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় জেনে জামায়াতে ইসলামীর এমপির সামনেই আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল। সেই অপমান আমি ভুলিনি। যখন বেশি বাড়াবাড়ি করা হয়, তখন মনে পড়ে যায় এদের পরিচয়—এরাই রাজাকার, আলবদর ও আলশামস।

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ধানমন্ডি ২ নম্বরের সারা ভবন বা হোয়াইট হাউসে আমরা নির্যাতিতা বোনদের দেখেছি। যাদের হাত ছিল দুর্গন্ধে ভর্তি, চামড়া ছিল খসখসে। কারো কোলে ছিল সন্তান, কেউ ছিল অন্তঃসত্ত্বা। সেইসব জীর্ণশীর্ণ চেহারার কথা আমরা ভুলিনি। মুক্তিযোদ্ধাদের বেশি খোঁচাবেন না।

বিরোধীদলীয় নেতার একটি সাম্প্রতিক শিশু হাসপাতাল সফরের প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা শিশু হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে রোগীরা ভালো আছে এবং চিকিৎসা চলছে। অথচ সংসদে এসে তারা অন্য কথা বলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তারা কেবল সরকারের সমালোচনা করেন, কিন্তু অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলেন না।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন তার বক্তব্যে পরিষ্কার করে বলেন, দেশের স্বার্থে ঐক্য হলেও আদর্শগতভাবে তারা একাত্তরের পরাজিত শক্তির সঙ্গে কোনো আপস করবেন না।

 

  • সর্বশেষ