শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২২, ০৮:০৭ রাত
আপডেট : ২৮ মে, ২০২২, ০১:৪১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শ্রীমঙ্গলে কালনাগিনী সাপ উদ্ধার

‘কালনাগিনী’ সাপ

মিনহাজুল আবেদীন: [২] মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় তিন দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে একটি বিরল প্রজাতির ‘কালনাগিনী’ সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

[৩] শুক্রবার সকালে শহরের কালীঘাট সড়কের একটি বাসা থেকে বন বিভাগের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করা হয়। প্রাণীটি বর্তমানে বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে আছে।

[৪] ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব বলেন, কালীঘাট সড়কের চৌমুহনা এলাকার জুয়েল কানুর বাড়ি থেকে ফোন দিয়ে একটি সাপের কথা জানানো হয়। কিন্তু গত তিন দিন কয়েকবার গিয়েও সাপটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। সাপটি বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে বেড়াচ্ছিলো। মাঝেমধ্যে দেখা দেয়ায় বাড়ির লোকেরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। আজ বন বিভাগের সাহায্য নিয়ে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে।

[৫] কালনাগিনীর ইংরেজি নাম অরনেট ফ্লাইং স্নেক বা গোল্ডেন ফ্লাইং স্নেক। বৈজ্ঞানিক নাম ক্রাইপেলিয়া অরনেট। বড় গাছপালা, অপ্রধান বন, মানুষের আবাসস্থলের আশপাশের চাষের জমি, এমনকি মানুষের ঘরের ভেতরেও বাস করতে পারে। এর দৈর্ঘ্য সচরাচর ১ থেকে ১ দশমিক ২ মিটার এবং সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৭৫ মিটার হয়ে থাকে। সদ্য ফোটা বাচ্চার দৈর্ঘ্য ২৬ সেন্টিমিটার। দেহ হালকা সবুজ থেকে হলদে সবুজ। দেহের পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর কালো ও লাল দাগ পর্যায়ক্রমে চলে গেছে। দেহের নিচের মসৃণ আঁশগুলো ফ্যাকাশে সবুজ। ঈষৎ চ্যাপটা কালো মাথার ওপরে হলদে ব্যান্ড আছে। চোখ বড় বড়। বিরক্ত হলে দেহ চ্যাপটা করে। এরা ব্যাঙ, গিরগিটি, ছোট পাখি ইত্যাদি খায়। জুন থেকে জুলাই মাসে ৬ থেকে ১২টি ডিম দেয়, ৬৫ থেকে ৮০ দিনে বাচ্চা ফোটে।

[৬] সজল দেব বলেন, কালনাগিনী এটি দিবাচর দুর্লভ সাপ। মৃদু বিষধর। এ সাপের কামড়ে মারা যাওয়ার রেকর্ড নেই। বাংলা চলচ্চিত্রগুলোতে এটিকে বিষধর সাপ হিসেবে উপস্থাপন করে জনসাধারণের মনে সাপ সম্পর্কে তীব্র ভয় ঢুকিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। দেশ রূপান্তর 

  • সর্বশেষ