শিরোনাম
◈ সংঘাতের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ◈ দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় অভিযান, গ্রেপ্তার ২৭৪৭ ◈ আজ বিদেশি কূটনীতিকরা ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শনে যাবেন ◈ চলমান সংকটে রাজশাহীতে কৃষিখাতে দিনে ২০ কোটি টাকার ক্ষতি ◈ কারফিউ শিথিল সময়ে চলবে দূরপাল্লার বাস ◈ প্রাণহানি ও ধ্বংসাত্মক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব ◈ ড. ইউনূস রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সহিংসতা বন্ধে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনূস ◈ নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ১৩৬ কয়েদির আত্মসমর্পণ ◈ কতজন শিক্ষার্থী মারা গেছেন, জানতে সময় লাগবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২২ মার্চ, ২০২৩, ০৫:০০ বিকাল
আপডেট : ২২ মার্চ, ২০২৩, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার নির্ধারণের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে বিশ্ব 

জেরোমি পাওয়েল

জাফর খান: যুদ্ধ-বিগ্রহ ও বৈশ্বিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে বর্তমানে এক কঠিন সমস্যার মোকাবিলা করছে বিশ্ব অর্থনীতি। সম্প্রতি ১৫ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মত শক্তিশালী একটি দেশের দু’টি ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়া অর্থনীতির স্থিতিশীলতার বিষয়েকে করেছে বেশ প্রশ্নবিদ্ধ। আর তৈরি হয়েছে শঙ্কা। এমন সময়ে এখন সবার নজর যুক্তরাষ্ট্রের দিকে । কেননা দেশটির ব্যাংকিং খাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, সুদহার বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে। বুধবার (২২ মার্চ) এ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানাবে ফেডারেল রিজার্ভ। বিবিসি/ সিএনবিসি 

যদিওবা উচ্চ সুদহার প্রণয়নের  ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম। আর এ সুদহার বৃদ্ধির বিষয়টি পুরো বিশ্বকে যেমন ধাক্কা দিয়েছে তেমনই বাড়িয়েছে অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কাও। বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের লাগাম টানতেই গত বছর থেকে এই সুদের হার বাড়িয়ে যাচ্ছে ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম। 

মাত্র দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জেরোমি পাওয়েল জানান, ব্যাংককে হয়ত সুদহার বৃদ্ধি করে যেতে হবে। এমনকি সুদহার যে পরিমাণ ও যে সময়ের মধ্যে বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেটি আরো কম সময়ের মধ্যে হবে। অবশ্য কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন, মূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখার কার্যক্রম থমকে যাচ্ছে। 

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গত ১২ মাসে দ্রব্যপণ্যের মূল্য ৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে যা কিনা স্বাভাবিক হারে ২ শতাংশ বৃদ্ধির চেয়ে অনেক গুণ বেশি।

এদিকে দেশটির ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন পাওয়েলের সমালোচনা করে বলেন, আমি এখনো ভাবতে পারিনি তিনি এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন।

তবে বিনিয়োগকারীদের ধারণা, ব্যাংকিং খাতে যে অস্থিরতা চলছে সেটির মধ্যে বর্তমান অর্থনৈতিক বাজারকে উপেক্ষা করে ফেডারেল রিজার্ভ বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।

অবশ্য কয়েকজন বিশ্লেষক মনে করছেন, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ সুদহার নতুন করে ০ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বাড়িয়ে নতুন করে নির্ধারণ করতে পারে। আবার এক পয়েন্টও না বাড়াতে পারে।

তবে সিদ্ধান্ত যাই হোক, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোমি পাওয়েল তার সমালোচকদের সন্তুষ্টি করতে পারবেন, এমন সম্ভাবনা বেশ কম বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।  

অক্সফোর্ড ইকোনোমেকিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ রায়ান সুইট বলেছেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের জন্য এটিই হতে যাচ্ছে বড় আকারের কঠিন এক সিদ্ধান্ত। তার ধারণা, সুদহার ০ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পাওয়েলকে অর্থনীতি নিয়ে দুই হাতে খেলতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে হবে যে এক হাতে সুদহার বৃদ্ধি করে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে লড়াই সম্ভব। অপরদিকে অন্য হাত ব্যবহার করে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার চাপ মোকাবিলাতেও সক্ষম হতে পারবেন তিনি।

সিএনবিসি বলছে, ভবিষ্যতের বাজার দর হয়ত ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে আর সে বিষয়কে লক্ষ্য রেখেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আগাবে পাওয়েল। 

জেকেএইচ/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়