শিরোনাম
◈ টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩, আরও যে তথ্য সামনে এসেছে ◈ ফ্রান্সে স্কুলের আন্দোলন যেভাবে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হলো ◈ সমস্যাটা তো হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, গুলি কেন খেলেন ইশরাক ভাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ◈ বিরোধিতার নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা: তারেক রহমান ◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী ◈ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমি সেদিন কোনো ভুল করিনি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ◈ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে না আসায় বিরোধী দল শহীদ পরিবারকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কুমিল্লার সমেশপুরে সবজির চারা বিক্রিতেই ১৫ কোটি টাকার বাণিজ্য, লক্ষ্যমাত্রা ২০ কোটি! ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানে কাজের নতুন সুযোগ, নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে ◈ সৌদি আরবে ভারি বৃষ্টির জন্য চার অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট জারি

প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ০৩:৫৮ দুপুর
আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০২২, ০৩:৫৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি থেকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের পদত্যাগ

রাশিদুল ইসলাম: ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যাপক হারের পর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন পদত্যাগ করেছেন। শনিবারের ভোটে ডিপিপি-এর পরাজয় সাই-এর জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসাবে এসেছে কারণ তিনি নির্বাচনকে ফ্রেমবন্দী করার চেষ্টা করেছিলেন। একই দিন তিনি পার্টির প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগের এ প্রস্তাব দেন। সিএনএন

বিরোধীদল কুওমিনতাং (কেএমটি) শনিবার রাজধানী তাইপেসহ বেশ কয়েকটি আসনে জিতেছে। কেএমটি, রক্ষণশীল ব্যবসায়িকদের একটি দল এবং তারা চীনপন্থি বলে বিবেচিত। তাইওয়ানের এই নির্বাচনের প্রতি আগ্রহ রয়েছে অন্যান্য দেশেরও। কেননা তাইওয়ানকে নিয়ে চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। চীনের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে প্রেসিডেন্ট সাই এই নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক ভোট হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাশিত ছিল না। আমার সব দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া উচিত এবং আমি অবিলম্বে ডিপিপি চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’

তাইওয়ানের মানুষ ১৩টি কাউন্টি ও ৯টি শহরে মেয়র, সিটি কাউন্সিল সদস্য এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতা নির্বাচনে ভোট দেয়। ভোটারদের সর্বনিম্ন বয়স ২০ থেকে ১৮ বছর। সাই ইং ওয়েন চীনবিরোধী নেত্রী হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক বছর ধরে বেইজিংয়ের ‘আধিপত্যের’ বিরুদ্ধে সোচ্চার তিনি। এর আগে ২০১৬ সালে তাইওয়ানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) নেত্রী সাই ইং ওয়েন।

১৯৪৯ সাল থেকে দ্বীপ রাষ্ট্র তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া একটি প্রদেশ বলে মনে করে চীন। দেশটিকে বেইজিংয়ের অধীনে নিয়ে আসতে চীন প্রয়োজনে শক্তিপ্রয়োগেরও হুমকি দিয়ে আসছে। অন্যদিকে তাইওয়ানের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

একটি বড় পরাজয়ের পর ঐতিহ্য অনুযায়ী সাই ইং ওয়েন পদত্যাগ করলেন। সংক্ষিপ্ত এক বক্তৃতায় তিনি সমর্থকদের ধন্যবাদও জানান। তিনি বলেন যে এই নির্বাচনে প্রার্থীদের নিজ হাতে বাছাই করার যে দায়িত্বটি তিনি নিয়েছিলেন তার দায় কাঁধে নেবেন। স্থানীয় ইস্যু প্রাধান্য পাওয়ায় চীনের হুমকি নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগের বিষয়টি আরও পিছিয়ে গেছে। জাতীয়তাবাদী দলের মেয়র প্রার্থী চিয়াং ওয়ান-আন রাজধানী তাইপেই এর আসনটিতে জয়ী হয়েছেন। শনিবার রাতে তার বিজয় ভাষণে তিনি বলেন, আমি বিশ্বকে তাইপের মহিমা দেখতে দেব। অন্যান্য জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থীরাও তাওয়ুয়ান, তাইচুং এবং নিউ তাইপেই শহরের মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন। যদিও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ক্ষমতাসীন দল তাইওয়ানের প্রতিবেশী চীনের দীর্ঘমেয়াদী অস্তিত্বের হুমকির সাথে নির্বাচনকে যুক্ত করার চেষ্টা করেছে, অনেক স্থানীয় বিশেষজ্ঞ মনে করেন না যে এই সময়ে চীনের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে।

তবে, সাই রাষ্ট্রপতি পদে থাকবেন। তার রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ২০২৪ সালে শেষ হবে।

  • সর্বশেষ