শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০৬:৪৪ বিকাল
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০৬:৪৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুতিন স্বাক্ষর করলেই ইউক্রেনের ৪ অঞ্চল হবে রাশিয়ার 

পুতিন

ইমরুল শাহেদ: রুশ পার্লামেন্টের উচ্চ ও নিম্ন - দুই কক্ষই ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল - দোনেস্ক,লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝজিয়া - রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। এখন প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন স্বাক্ষর করলেই এই চারটি অঞ্চল আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে। তবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও রাশিয়া তার নিজস্ব আন্তর্জাতিক সীমানা নতুন করে চিহ্নিত করবে কি না, সেটা স্পষ্ট নয়। গার্ডিয়ান

গত শুক্রবার পুতিন ক্রেমলিনে এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাশিয়া অধিভুক্ত অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তাতে অঞ্চলগুলো রুশ ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত করে নেওয়ার কথাই বলা হয়েছে। 

এই প্রেক্ষাপটেই মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটোতে যোগদানের জন্য ইউক্রেন আবেদন জানিয়েছে। আবেদনে হয়েছে, পুতিন যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, রাশিয়ার সঙ্গে কোনো সমঝোতা করবে না ইউক্রেন। 

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ পার্লামেন্ট সদস্যদের বিলটি সমর্থন করতে আবেদন করে বলেছেন, এতে রুশ ভাষা, সংস্কৃতি ও সীমান্ত রক্ষা পাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো কাল্পনিক হুমকির জবাব দিচ্ছি না, আমরা আমাদের সীমান্ত রক্ষা করছি।’ তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিমা দেশগুলোকে নিয়ে মস্কোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে কিয়েভ সহায়তা করার জন্য। 

মঙ্গলবার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ ফেডারেশন কাউন্সিল সর্বসম্মতভাবে ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝজিয়া অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার অনুমোদন দেয়। এর আগে সোমবার একইভাবে নিম্নকক্ষ স্টেট ডুমায় এটি অনুমোদন পায়।

এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এই অঞ্চলগুলো রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে এসব নথি ক্রেমলিনে পুতিনের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে। এই চার অঞ্চল ইউক্রেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ১৮ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত।

ইউক্রেন থেকে দখল করা এসব অঞ্চলে গণভোট আয়োজনের পর নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দেয় রাশিয়া। পশ্চিমা সরকারগুলো ও কিয়েভ বলেছে, এই ভোট আয়োজন আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এই ভোট ছিল জোরপূর্বক এবং এতে জনমত প্রতিফলিত হয়নি।

রাশিয়ার পার্লামেন্টে অনুমোদন দেওয়া হলেও ক্রেমলিন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অঞ্চলগুলোর সীমানা চিহ্নিত করেনি। এসব অঞ্চলের বড় অংশই এখনো ইউক্রেনীয় বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। 

  • সর্বশেষ