শিরোনাম
◈ তেল-গ্যাসে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা কতটা ◈ যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইরান, সামনে তিন শর্ত ◈ উত্তর ইসরায়েলে তীব্র হামলা: ইরান-হিজবুল্লাহর ১০০ রকেট নিক্ষেপের দাবি ◈ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় র‌্যাবের ওপর হামলা ◈ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে? নানা আলোচনা ◈ স্বাভাবিক হয়নি ভোজ্যতেলের বাজার ◈ সিঙ্গাপুর থেকে জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ ◈ সহ আ‌য়োজক যুক্তরা‌স্ট্রে ইরান বিশ্বকাপ খেলবে না, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ–জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২৫, ০১:০৭ দুপুর
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা সম্ভব নয়, স্বীকার করল ইসরায়েল!

ইরানের ফোর্দো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্ল্যান্ট। ছবি: উইকিপিডিয়া

ইসরায়েলের পক্ষে ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা সম্ভব নয়। এটি করতে পারে একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে। গতকাল সোমবার মেরিট টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লিটার বলেছেন, ইরানের ভূগর্ভস্থ ফোর্দো পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানার জন্য প্রয়োজনীয় বোমা কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই আছে।

ফোর্দো স্থাপনাটি উত্তর ইরানের কোমের কাছে পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত। এখানে উন্নত সেন্ট্রিফিউজ রয়েছে, যা উচ্চ বিশুদ্ধতার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। এর সঠিক গভীরতা প্রকাশ করা হয়নি। তবে অনেকে অনুমান করেন, এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮০ থেকে ৯০ মিটার গভীরে।

লিটার বলেন, ‘আকাশ থেকে বোমা মেরে ফোর্দোকে ধ্বংস করতে হলে বিশ্বের একমাত্র দেশ, যার কাছে সেই বোমা আছে, তা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত, তারা এই পথ অনুসরণ করবে কিনা।’

তবে তিনি আরও বলেন, এটিই একমাত্র বিকল্প নয়: ‘ফোর্দোর মোকাবিলা করার আরও উপায় আছে।’

তিনি চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে—শুক্রবার হামলার করার আগেই—একটি সামরিক অভিযানেরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ইরানকে কঠিনভাবে আঘাত করা হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘যখন ধুলো থিতিয়ে আসবে, বৃহস্পতিবার রাত এবং শুক্রবার আপনি কিছু চমক দেখতে পাবেন যা বিপার অভিযানকে প্রায় সাধারণ মনে হবে।’ তিনি সেপ্টেম্বরে লেবাননে ইসরায়েলের চালানো হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সদস্যদের ব্যবহৃত পেজার এবং ওয়াকিটকি বিস্ফোরণের দিকে ইঙ্গিত করেন তিনি।

ডিভাইসগুলোতে বিস্ফোরক লুকানো ছিল। একের পর এক ডিভাইস বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ৩৭ জন নিহত এবং প্রায় ৩ হাজার জন আহত হন। হতাহতদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন বেসামরিক পথচারী।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছেন ইরানের ফোর্দো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে বোমা হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দ্বিধায় রয়েছেন।

এই স্থাপনা ধ্বংস করতে পারে একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা—ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর। সেটি বহন করতে হবে আমেরিকান বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়