শিরোনাম
◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৪৫ সকাল
আপডেট : ২১ মে, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আপনার অজান্তেই গুগল কতটুকু ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে?

ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় জীবন এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সহজ, দ্রুত এবং আরামদায়ক। স্মার্টফোনের এক ক্লিকেই মিলছে অজানা তথ্য, গুগল ম্যাপের নির্দেশনায় অনায়াসে পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে, আবার অ্যাপ খুলেই অর্ডার দেওয়া যাচ্ছে পছন্দের খাবার। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে এখন গুগল ও তার বিভিন্ন সেবা।

করোনা-পরবর্তী সময়ে এই নির্ভরতা আরও বেড়েছে বহুগুণ। পরিসংখ্যান বলছে, তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ দৈনিক দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছে অনলাইনে।

জিমেইল, গুগল সার্চ, ইউটিউব, প্লে স্টোর—দিনের পর দিন এসব অ্যাপ ব্যবহার করতে করতেই অনেকটা অজান্তেই গুগলের সঙ্গে ভাগাভাগি হয়ে যাচ্ছে আমাদের ব্যক্তিগত নানা তথ্য। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই তথ্য আদান-প্রদানের অনেকটাই ঘটে নীরবে, ব্যবহারকারীর অজান্তেই।

তাহলে প্রশ্ন উঠছে, আপনার কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য গুগলের হাতে চলে যাচ্ছে? আর চাইলে কি আপনি নিজেই তা জানতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন? উত্তর হলো, হ্যাঁ পারেন। তবে তার আগে জানা দরকার, গুগল আসলে কী কী তথ্য সংগ্রহ করে।

গুগল কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে?

আপনার স্মার্টফোনে যদি লোকেশন অন থাকে, তাহলে আপনার দৈনন্দিন চলাফেরা, কোথায় যাচ্ছেন, কতক্ষণ থাকছেন—এসব তথ্য সহজেই জানতে পারে গুগল। শুধু তাই নয়, আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে কিংবা ইউটিউবে কী কী সার্চ করছেন, কোন ভিডিও দেখছেন, কোন বিষয়ে আগ্রহী—এই সার্চ ও দেখার ইতিহাসও গুগল সংরক্ষণ করে রাখে।

এখানেই শেষ নয়। অনেকেই এখন টাইপ না করে ভয়েস সার্চ ব্যবহার করেন। সেই ভয়েস কমান্ড থেকেই গুগল বুঝে নিতে পারে আপনি কোন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করছেন, কী ধরনের কনটেন্টে আপনার আগ্রহ বেশি। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে আপনার একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি হয়ে যায়।

তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গুগলের কাছে ঠিক কোন কোন তথ্য সেভ রয়েছে, তা চাইলে আপনি নিজেই দেখে নিতে পারেন।

গুগলের কাছে কী কী তথ্য আছে, জানবেন যেভাবে

প্রথমে আপনার স্মার্টফোনের সেটিংস অপশনে যান। সেখান থেকে গুগল-এ ট্যাপ করে ‘ম্যানেজ ইওর গুগল অ্যাকাউন্ট’ নির্বাচন করুন। এরপর ডেটা অ্যান্ড প্রাইভেসি সেকশনে প্রবেশ করুন।

এই অংশেই আপনি দেখতে পারবেন, কোন কোন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য গুগল সংরক্ষণ করছে এবং আপনার লোকেশনের তথ্য সেভ করা হচ্ছে কি না।

আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে আলাদা করে ক্লিক করুন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাবে, একটি অ্যাপ বা লোকেশন ব্যবহারের সময় একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য গুগলের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। কোন তথ্যগুলো রাখা হচ্ছে, আর কোনগুলো নয়—সেগুলো এখান থেকেই যাচাই করা সম্ভব।

কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখবেন?

ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য কিছু সচেতন সিদ্ধান্তই হতে পারে বড় রক্ষাকবচ—

১. প্রয়োজন না হলে লোকেশন অফ রাখুন।

২. সেটিংস থেকে অটো-ডিলিট অপশন চালু করুন। এতে ৩, ১৮ অথবা ৩৬ মাস পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ডেটা মুছে যাবে।

৩. অ্যাড পার্সোনালাইজেশন অপশন ডিস-অ্যাবল করুন। এতে আপনার সার্চ ও আগ্রহভিত্তিক তথ্য ট্র্যাক করা কমে যাবে।

৪. ভয়েস কমান্ড অপশন অফ রাখুন। এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আপনার গতিবিধি বিশ্লেষণ করা কঠিন হবে।

৫. ডিজিটাল যুগে পুরোপুরি অফলাইনে থাকা সম্ভব নয়, তবে সচেতন থাকলে নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব—এই বার্তাই দিচ্ছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়