শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৪ দুপুর
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শচীনের সঙ্গে তুলনা টেনে ‌বৈভব‌কে বড় সার্টিফিকেট দি‌লেন শ্রীকান্ত

স্পোর্টস ডেস্ক : বৈভব জ্বর ক্রমশ চড়ছে। তাঁকে দেশের জার্সিতে দেখার জন্য তর সইছে না ভারতের প্রাক্তনীদের। কয়েকদিন আগেই সূর্যবংশীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন শ্রেয়স আইয়ার। বলেন, 'বৈভব ভবিষ্যতের তারকা।' এবার তাঁকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। তাঁকে অবিলম্বে ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি জানান কপিল দেবের এককালীন সতীর্থ। শ্রীকান্ত বলেন, সূর্যবংশী দুর্দান্ত সব শট খেলে। 

ছেলেটা অসাধারণ এবং অনবদ্য। ওকে দ্রুত জাতীয় দলে সুযোগ দাও অজিত। পরের সিরিজে ওর সুযোগ পাওয়া উচিত। প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের উদ্দেশে এই বার্তা দেন শ্রীকান্ত।অনেকেই মনে করছেন, বৈভবকে নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। ধীরে চলো নীতি নেওয়ার পরামর্শ দেয়। কিন্তু শ্রীকান্ত মনে করেন, অপেক্ষার দরকার নেই। 

সূর্যবংশী ম্যাচ উইনার। শ্রীকান্ত বলেন, আমার মনে হচ্ছে অবিলম্বে বৈভবকে ভারতীয় দলে নেওয়া উচিত। আরও সময় নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। অনেক ধারাবাহিকতার পরীক্ষা হয়েছে। এই ছেলেটা ম্যাচ জেতানোর জন্য তৈরি।' সূর্যবংশীর ভয়ডরহীন ক্রিকেটের উল্লেখ করেন। যশপ্রীত বুমরা এবং জস হ্যাজেলউডের বিরুদ্ধে তাঁর ছক্কার প্রশংসা করেন। 

শ্রীকান্ত বলেন, বুমরার প্রথম বলেই ছয় মারে। কে বল করছে, সেই নিয়ে ও ভাবে না। শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে আগে থেকেই তুলনা টানা হচ্ছে বৈভবের। তাঁকে দেখে মাস্টার ব্লাস্টারকে মনে পড়ছে শ্রীকান্তের। পুরোনো দিনের কথা মনে করালেন। শ্রীকান্ত বলেন, আমি ১৯৮৯ সালে যখন অধিনায়ক ছিলাম, শচীন টেন্ডুলকারের বয়স তখন ১৬ ছিল। এখন ও ক্রিকেটের ঈশ্বর। 
একইভাবে এই ছেলেটা ক্রিকেটের পরবর্তী উপদেবতা হতে পারে। অনবদ্য প্রতিভা ও ভবিষ্যতের তারকা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়