শিরোনাম
◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি ◈ জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার ◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ ◈ বিশ্বকাপে দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার দারুণ সূচনা ◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ ◈ আ‌মে‌রিকার বিরু‌দ্ধে যুদ্ধ ব‌ন্ধে ইরান এখন পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়‌নি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যেই আজ থে‌কে শুরু হ‌চ্ছে আরো এক বিশ্বকাপ ◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:২৮ বিকাল
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানবিক ভিসা দেওয়ায় ইরানের দুই নারী ফুটবলার অস্ট্রেলিয়া সরকার‌কে ধন্যবাদ জানালেন  

স্পোর্টস ডেস্ক : ইরানের দুই নারী ফুটবলার ফাতেমেহ পাসান্দিদেহ এবং আতেফেহ রামাজানিজাদেহ জীবনের নিরাপত্তা এবং ফুটবল ক্যারিয়ার রক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার শরণাপন্ন হয়েছেন। এশিয়ান কাপ শেষে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ার পর সম্প্রতি তাদের মানবিক ভিসা  প্রদান করেছে দেশটির সরকার।

এই ‘নিরাপদ আশ্রয়’ নিশ্চিত করায় শুক্রবার এক বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারা। ঘটনাটির সূত্রপাত গত এশিয়ান কাপ চলাকালীন।

সেই সময় ইরান বনাম ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এশিয়ান কাপের একটি ম্যাচে ইরানের জাতীয় সংগীত গাননি দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলার। এই ঘটনার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে, যা খেলোয়াড়দের মনে গভীর নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দেয়।

প্রাথমিকভাবে ইরানি স্কোয়াডের ছয়জন ফুটবলার এবং একজন স্টাফ অস্ট্রেলিয়ার কাছে মানবিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। তবে নানা জটিলতা ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে পাঁচজন শেষ পর্যন্ত ইরানে ফিরে গেলেও, ফাতেমেহ ও আতেফেহ অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

গত মাস থেকেই তারা অস্ট্রেলিয়ার এ-লিগ ক্লাব 'ব্রিসবেন রোর'-এর সঙ্গে অনুশীলন শুরু করেছেন।
নিজেদের বিবৃতিতে এই দুই অ্যাথলেট বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো নিজেদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জীবনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়া। আমরা পেশাদার অ্যাথলেট, এবং অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের খেলা চালিয়ে যাওয়াই এখন বড় স্বপ্ন।’

উল্লেখ্য, দলের বাকি সদস্যরা তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গত মাসে ইরানে ফিরে গেছেন। তবে ফাতেমেহ ও আতেফেহ এখন নিরাপদ পরিবেশে থেকে বিশ্বমঞ্চে নারী ফুটবলের প্রতিনিধিত্ব করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়