শিরোনাম
◈ বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের পাঁচ জেলায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ার সিদ্ধান্ত ◈ বিশ্বকা‌পে জাপা‌নের প্রথম ম‌্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিরু‌দ্ধে যে কো‌নো উপা‌য়ে জয় চান কোচ ◈ বিশ্বকা‌পে সেমিফাইনালের গ‌ণ্ডি পার হ‌তে চান মরক্কোর কোচ ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা, রুলিং দিলেন স্পিকার ◈ দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেফতার, এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন!

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৪ রাত
আপডেট : ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম

সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ছিলেন শফিকুল আলম। ছিলেন বেইলি রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে’।  শুক্রবার (৬ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বেইলি রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টের’ স্মৃতি রোমান্থন করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি যুগান্তরের পাঠকদের হুবহু দেওয়া হলো-

‘বিদায়, বেইলি রোড। তুমি আমার জীবনের এক রোমাঞ্চকর যাত্রার সাক্ষী হয়ে আছ। বেইলি রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’ ভবনের পঞ্চম তলায় থাকতাম আমি। যদিও তখন সেখানে কোনো মন্ত্রীরা থাকতেন না। ওই ভবনে থাকতেন কেবল বিচারপতি ও নির্বাচন কমিশনাররা। চারপাশটা খুবই শান্ত ও স্থির মনে হতো। সেখানে সকালটা শুরু হতো পাখিদের কিচিরমিচিরে। আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা।

রাজধানীর শাহীনবাগের নিজ বাসা ছেড়ে বেইলি রোডে ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টের’ বসবাসের মূল কারণ ছিল যমুনা’র কাছে থাকা। কারণ, যমুনা’য় অবস্থান করতেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসের অধিকাংশ সময় তিনি সেখান থেকেই দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করেছেন। বহুবার এমন হয়েছে- আমাকে রাতের খাবার ফেলে রেখে যমুনায় ছুটে যেতে হয়েছে- সংকট ব্যবস্থাপনা কাছ থেকে দেখার জন্য এবং সেই প্রচেষ্টার কথা মানুষকে জানানোর জন্য।

আমার বেইলি রোডের ফ্ল্যাট থেকে কয়েক গজ দূরেই ছিল ফরেন সার্ভিস একাডেমি। সেখানে আমি প্রায় ৩০০টি সংবাদ সম্মেলন করেছি এবং ঐকমত্য কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংলাপে অংশ নিয়েছি। এই জায়গার শান্ত পরিবেশ অনেক সময়ই ভেঙে গেছে উত্তাল বিক্ষোভে। তখন মনে হয়েছে, যেন আমাদের সবার জন্য এটাই শেষ। তবু কোনো এক রহস্যময় মোড়ে পরিস্থিতি বদলে যেত, আর বেইলি রোড আবার ফিরে পেত তার শান্ত সৌন্দর্য।

আমার একমাত্র আক্ষেপ যে গত তেরো মাসে আমি রমনা পার্কে যথেষ্ট সময় নিয়ে যেতে পারিনি। এ ছাড়া অন্য মানুষদের মতো রমনায় সকালবেলার হাঁটাহাঁটি করা, কিংবা হাসি-আড্ডায় মেতে থাকা দলগুলোর সঙ্গেও যোগ দিতে পারিনি আমি। তবু আমি আর আমার স্ত্রী প্রায় প্রতিদিনই রাস্তার ধারে সকালে বসা অস্থায়ী বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতাম। যদিও সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ সেই ছোট ছোট দোকানগুলো সরিয়ে দিয়েছে। বিদায়, বেইলি রোড। তুমি উপর থেকে শান্ত ছিলে। কিন্তু ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিলে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়