শিরোনাম
◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯ ◈ ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি, ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ বিশ্বকাপের ক‌য়েক ঘণ্টা আগেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে ফ্রা‌ন্সের আদাল‌তে মামলা করলেন মি‌শেল প্লাতিনি ◈ শুধু মাতৃভূমি নয়, বিশ্বশান্তির জন্যও কাজ করছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ব্যভিচার ও প্রতারণার মামলায় খালাস পেলেন নাসির হোসেন ও তামিমা ◈ এআই দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ঠেকাতে সাইবার আইনে নতুন শাস্তির বিধান ◈ প্রতিবাদ: বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরানী খে‌লোয়াড়‌দের জার্সিতে লেখা #168! লজ্জায় মুখ ঢাকবে আমেরিকা 

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৬, ০৩:২৭ দুপুর
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে ৪৬৩ কোটি টাকার টিকা ও ওষুধ কিনছে সরকার

জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং এইচআইভি/এইডস রোগীদের চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত টিকা ও ওষুধ ক্রয়ে ৪৬৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার ২০ টাকার চারটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

আজ বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ে ইপিআই কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ রুটিন ইপিআই ভ্যাকসিন সংগ্রহের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত সংস্থা ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাত ধরনের ভ্যাকসিন কেনা হবে। এ খাতে ব্যয় হবে ৪১২ কোটি ৭১ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫৫ টাকা।

এই অর্থে মোট ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৬৩৬ ভায়াল ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হবে। ভ্যাকসিনগুলোর উৎপাদনকারী দেশ হচ্ছে জাপান, ডেনমার্ক, ভারত, বুলগেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম এবং দক্ষিণ কোরিয়া। এর আগে একই অর্থবছরের চাহিদার ৫০ শতাংশ ভ্যাকসিন ৪১৯ কোটি ৯৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৪ টাকায় ইউনিসেফের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল।

এছাড়া জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ব্যবহৃত অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টি-টিবি ড্রাগস (৪এফডিসি) অতিরিক্ত ক্রয়ের জন্য একটি ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। মেসার্স রেনেটা পিএলসির কাছ থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ৭ লাখ ৭৩ হাজার ইউনিট ওষুধ সংগ্রহ করা হবে। এজন্য মূল চুক্তির অতিরিক্ত ১৫ কোটি ৫১ লাখ ৩১ হাজার ২০০ টাকা ব্যয় হবে। এতে সংশোধিত চুক্তিমূল্য বেড়ে দাঁড়াবে ৯৩ কোটি ৭ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা।

সভায় যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ের জন্য জরুরি জিনএক্সপার্ট কার্ট্রিজ (GeneXpert Cartridge) অতিরিক্ত ক্রয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়। ইউনাইটেড ন্যাশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর কাছ থেকে অতিরিক্ত ২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কার্ট্রিজ সংগ্রহ করা হবে। এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৩৫ টাকা। এটা সংশোধিত চুক্তিমূলকভাবে দাঁড়াবে ১৯০ কোটি ১৭ লাখ ৮৪ হাজার ২৭৭ টাকা।

এদিকে জাতীয় এইচআইভি/এইডস কর্মসূচির আওতায় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য ওষুধ সংকট এড়াতে অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল ওষুধ অতিরিক্ত ক্রয়ের প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মেসার্স এস এস সাইন্টিফিক কর্পোরেশনের কাছ থেকে পাঁচটি আইটেমে ১৯ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬০ ইউনিট ওষুধ কেনা হবে। এজন্য মূল চুক্তির অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩ কোটি ৫২ লাখ ১৬ হাজার ১৩০ টাকা। ফলে সংশোধিত চুক্তির মূল্যায়নের দাঁড়াবে ২১ কোটি ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৪ টাকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়