শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:৩৩ দুপুর
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

সরকারি দলের এমপিদেরই ১১ হাজার কোটি টাকার ঋণ: নাহিদ

মনিরুল ইসলাম: বর্তমান সংসদের সদস্যদের ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে যার অধিকাংশই সরকারি দলের এবং তারা বড় মাপের ঋণখেলাপি বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। 
তিনি দাবি করেন, এই বিপুল পরিমাণ ঋণ পুনঃতফসিল করার সুবিধা দিতেই একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার  জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন ডেপুাট স্পিকার নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম টিআইবির তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘বর্তমান সরকারি দলের যারা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন, তাদের ৫৯.৪১ শতাংশ ঋণগ্রস্ত। সংসদ সদস্যদের ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে। নির্বাচনের আগে তারা কিছু টাকা জমা দিয়ে এগুলো পুনঃতফসিল করে নিয়েছেন। আর বর্তমান গভর্নর এই পুনঃতফসিল কাজেই এক্সপার্ট। সেজন্যই তাকে এই পদে বসানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়েছে যাতে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল করার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া যায়। এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক খাতে সাধারণ মানুষের আর কোনো আস্থা নেই।’

নাহিদ অরো বলেন, নির্বাচনের বিধান অনুযায়ী ঋণ খেলাপি কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না। কিন্তু আমরা দেখলাম নির্বাচনের আগে কিছু টাকা পরিশোধ করে ঋণ পুনঃতফসিল করে তারা সংসদ সদস্য হিসেবে এসে আসলেন। আমি কিছু সংখ্যা বলছি। ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা, ৭৬৫ কোটি টাকা, ৬৭৯ কোটি টাকা, ৬২১ কোটি টাকা, ২০১ কোটি টাকা, ১৮২ কোটি টাকা, ৯৭ কোটি টাকা। এগুলো আমাদের সংসদ সদস্য যারা তাদের ঋণ রয়েছে।

তিনি বলেন, আজ ঋণ খেলাপীদের নাম বললাম না। আগামীতে নাম প্রকাশ করে দিবো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়