শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিনেমার থ্রিলার কাহিনীকেও হার মানিয়েছে যে হত্যাকাণ্ড!

সদর উপজেলার ফতুল্লার ব্যাংক কলোনি এলাকার শিশু হোসাইন হত্যাকাণ্ড। শিহরণ জাগানো এই ঘটনায় উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর এক বাস্তবতা। অপরাধ জগতের জীবনের স্বাদ পেতেই পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয় এই নির্মম হত্যাকাণ্ড। সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি এক সংবাদ সম্মেলনে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেন। সূত্র: মানবজমিন প্রতিবেদন

এ সময় তিনি বলেন, ফতুল্লায় ১১ বছর বয়সী শিশু হোসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তারই সমবয়সী ও কিশোর বন্ধুদের একটি দল। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে উঠে এসেছে অবিশ্বাস্য এক কারণ। জেল খাটার অনুভূতি কেমন- সেই কৌতূহল থেকেই তারা পরিকল্পিতভাবে এই নৃশংস অপরাধ সংঘটিত করে।

নিহত হোসাইন তার বাবার সঙ্গে শহরে ফুল বিক্রি করতো। গত ১৮ই এপ্রিল সকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিল। ২৩শে এপ্রিল বিকালে দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকার মিঠু মিয়ার পরিত্যক্ত বাড়িতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে জানা যায়, ফতুল্লা রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে নিয়মিত আড্ডা দেয়া ও মাদক সেবনকারী কয়েকজন কিশোর তাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।

পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার দিন সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ‘খুন করলে জেলে যেতে হয়’, আর সেই অভিজ্ঞতা নেয়ার ইচ্ছা থেকেই তারা হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া হোসাইনকে টার্গেট করে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল তাদের আরও তিন বন্ধু রাহাত, হোসাইন ও ওমর। পরে সবাই মিলে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পরিত্যক্ত ওই বাড়িতে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এদিকে, হোসাইনের লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচ কিশোরকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন এজাহারভুক্ত, তদন্তে আরও ২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরে মামলার এজাহারনামীয় ১ নাম্বার আসামি ইয়াসিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হত্যায় ব্যাহৃত ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো একজন পলাতক রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়