শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপে প্রথম অঘটন, স্পেনকে রুখে দি‌য়ে ইতিহাস কেপ ভার্দের  ◈ সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৪ জনের যাবজ্জীবন

জোরপূর্বক নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের দায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম।

আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) সাজার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অপর তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণী তার এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদ এলাকায় ময়দার মিল সংলগ্ন নৌকা ঘাটে বেড়াতে যান। এক পর্যায়ে বান্ধবী চলে গেলে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তোলে।

নৌকাটি বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে মাঝিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর নৌকার মধ্যেই পালাক্রমে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।

খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর বাবা-মা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তিনি নিজেই থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানার তৎকালীন এসআই শফিকুল ইসলাম শিকদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালতে মোট আটজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। উৎস: আরটিভি অনলাইন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়