শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৫ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যানজট কমাতে মনোরেল পরিকল্পনা: কী এই পরিবহন ব্যবস্থা?

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। ঢাকার যানজট নিরসনে বিদ্যমান মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের পাশাপাশি মনোরেল চালুর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে আলোচনা।

মনোরেল কী?

মনোরেল হলো এক ধরনের রেল পরিবহন ব্যবস্থা, যেখানে ট্রেনটি একটি রেলের ওপর দিয়ে চলে—সাধারণ ট্রেনের মতো দুই লাইনের ওপর নয়। মনোরেল যানবাহনগুলো হালকা রেল যানবাহনের মতো দেখা যায়। এটি গ্রেডের নীচে বা পাতাল রেল টানেল গ্রেডেও চলতে পারে।

মনোরেলের ধারণা কিভাবে এলো?

মনোরেলের ধারণা এসেছিল ১৮০০ সালের দিকে। তখন ইঞ্জিনিয়াররা এক রেলের ওপর ঘোড়ার গাড়ি বা কাঠের ট্র্যাক দিয়ে যাত্রী ও সামগ্রী পরিবহন করার চিন্তা শুরু করেন—এটাই মনোরেলের বুনিয়াদি ধারণা, একটিমাত্র রেল দিয়ে চলা গাড়ি। ১৮২০‌ সালে রাশিয়ার ইভান এলমানভ নামে একজন উদ্ভাবক কাঠের একটি এক-রেল পিলার-ট্র্যাক তৈরি করেন, যেটা এক ধরনের মনোরেলের প্রাথমিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৮২১ সালে ইংল্যান্ডের ইঞ্জিনিয়ার হেনরি রবার্টসন পালমার মনোরেল ধারণার পেটেন্ট নেন। আর প্রথম যাত্রী বহনকারী মনোরেল সিস্টেম হলো চেশান্ট রেলওয়ে (ইউকে), যা ১৮২৫ সালে খুলেছিল এবং তখনই বাস্তবে মানুষও এতে যাত্রা করেছিল।

বর্তমানে যেসব দেশে মনোরেল চালু আছে

জাপান, চীন, ব্রাজিল, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভারতসহ বেশ কিছু দেশেই মনোরেল ব্যবস্থা রয়েছে।

মনোরেলের সুবিধা

মনোরেল উচু পিলারের ওপর স্থাপন করা হয়। শহরের ভেতরে চলাচলের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়। এটির শব্দ ও কম্পন কম। তাই আবাসিক এলাকার জন্য তুলনামূলক আরামদায়ক। এছাড়া আলাদা ট্র্যাক হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কম। সেইসঙ্গে চওড়া রাস্তা বা বড় জায়গার দরকার হয় না। ট্র্যাক কম হওয়ায় দেখভাল সহজ হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, যানজট এড়ানো, জায়গা বাঁচানো আর আধুনিক শহুরে পরিবহনের জন্য মনোরেল খুব কার্যকর।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মনোরেল কেন উপযোগী

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের মতো শহরে রাস্তার ওপর চাপ ভয়াবহ। মনোরেল রাস্তার ওপরে উঁচুতে চলে। এ পরিস্থিতিতে তাই যানজট এড়ানো যায়। এছাড়া মেট্রোরেল বা আন্ডারগ্রাউন্ডের মতো বড় খোঁড়াখুঁড়ি লাগে না। ফলে ব্যবসা ও জনজীবনে কম ক্ষতি হয়। মেট্রো যেখানে যায় না, সেখানে ফিডার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এটি জলাবদ্ধতা বা হালকা বন্যায় চলাচল ব্যাহত হয় না।

সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়