শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ১১:২৪ রাত
আপডেট : ০৬ মে, ২০২৬, ১২:০২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কৌশল আর সংগঠনে ভর করে বিজেপির সাফল্য: আলোচনায় ৬ নেতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এ জয়ের পেছনে কাজ করেছেন ছয়জন মূল কৌশলবিদ। এই সাফল্যে অন্যতম অবদান রেখেছেন ‘চাণক্য’ হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার দূরদর্শী কৌশল ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দলকে এগিয়ে নিয়েছে। তিনি টানা ১৪ দিন বাংলায় অবস্থান করে দলের কার্যক্রম সমন্বয় করেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

সোমবার (০৪ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশলকে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করতে অমিত শাহ রাত গভীর পর্যন্ত দলের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন। দিনে একাধিক জনসভা ও রোডশোতে অংশ নিয়েছেন। এ সময়ে নানা প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা এবং ‘দুষ্কৃতী ও অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

অমিত শাহের পাশাপাশি আরও পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতার কৌশলগত ভূমিকা এই সাফল্যে বড় অবদান রেখেছে। সাংগঠনিক কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাসহ সব ক্ষেত্রেই তারা সুসংগঠিত দল হয়ে কাজ করেছেন। তারা হলেন:

ধর্মেন্দ্র প্রধান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পুরো নির্বাচনী প্রচারের প্রধান কৌশল নির্ধারক হিসেবে কাজ করেছেন। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও সামাজিক স্তরের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য ইউনিটের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নেতাদের সফর পরিকল্পনা সুচারুভাবে পরিচালনা করেন তিনি।

ভূপেন্দ্র যাদব সাংগঠনিক দক্ষতায় অভিজ্ঞ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বুথ স্তর পর্যন্ত কর্মীদের সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জটিল আইনি দিকগুলোও দক্ষতার সঙ্গে সামলান। বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্যে তার অভিজ্ঞতা বাংলার কঠিন নির্বাচনী পরিবেশে কাজে লেগেছে।

সুনীল বানসাল বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বানসাল পূর্বে উত্তরপ্রদেশে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বাংলায় তিনি ‘পন্না প্রধান’দের (বুথভিত্তিক সমন্বয়কারী) একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। তার লক্ষ্য ছিল তৃণমূলের সংগঠিত ক্যাডার ব্যবস্থার মোকাবিলায় একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ কাঠামো তৈরি করা।

বিপ্লব দেব ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন। বাংলায় বিশেষ করে যেসব অঞ্চলের ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে ত্রিপুরার মিল রয়েছে, সেখানে তিনি ব্যাপক প্রচার চালান। স্থানীয় কর্মীদের উৎসাহিত করা এবং আক্রমণাত্মক প্রচার কৌশল গড়ে তুলতে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

অমিত মালব্য বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারের নেতৃত্ব দেন। সন্দেশখালি থেকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরে তিনি জনমত প্রভাবিত করেন। তৃণমূলের প্রচারণার বিরুদ্ধে তিনি শক্তিশালী পাল্টা বর্ণনা দাঁড় করিয়েছেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়