শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত ◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৭:৫০ সকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অসাধ্যকে সম্ভব করল চীন, নাইজেরিয়ায় গড়ে উঠল আফ্রিকার বৃহত্তম তেল শোধনাগার

আফ্রিকার শিল্পায়নের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল নাইজেরিয়ার ডাঙ্গোটে তেল শোধনাগার (Dangote Oil Refinery)। মহাদেশটির জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্মিত এই বিশাল প্রকল্পটি চীনের উন্নত প্রকৌশল দক্ষতা এবং প্রযুক্তির এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের (SCMP) এক প্রতিবেদনে এই মেগা প্রজেক্টে চীনের ভূমিকার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এই একক-ট্রেন শোধনাগারটি নির্মাণে চীনের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে শোধনাগারের বিশালাকার রিঅ্যাক্টর, রিজেনারেটর এবং অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি তৈরিতে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান অপরিসীম। প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, অত্যন্ত জটিল কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এই অবকাঠামোটি দাঁড় করানো হয়েছে, যা আফ্রিকার তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বনির্ভরতার পথে নিয়ে যাবে।

ডাঙ্গোটে শোধনাগারটি প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করার ক্ষমতা রাখে। চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) এর আওতায় আফ্রিকায় তাদের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ এবং প্রভাবের এটি একটি বড় উদাহরণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনের এই প্রযুক্তিগত সহায়তা কেবল নাইজেরিয়া নয়, বরং সমগ্র আফ্রিকার অর্থনীতিতে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে। জ্বালানি সংকটে থাকা দেশগুলোর জন্য এটি আশীর্বাদ হয়ে দেখা দেবে।

এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন বিশ্ববাজারে চীনের প্রকৌশল সক্ষমতার অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করল। চীনের কোম্পানিগুলো তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে, বিশ্বমানের মেগা প্রজেক্টে তারা এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়