শিরোনাম
◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯ ◈ ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি, ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ বিশ্বকাপের ক‌য়েক ঘণ্টা আগেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে ফ্রা‌ন্সের আদাল‌তে মামলা করলেন মি‌শেল প্লাতিনি

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:১৭ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ভয়াবহ ক্ষতি, তথ্য গোপনের অভিযোগ

ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনা, সরঞ্জামের যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির কথা অনুমিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে, বাস্তবিক ক্ষয়ক্ষতি তার চেয়েও অনেক বেশি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু করে। এরপর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক সরঞ্জামে ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে। এই হামলায় প্রকাশিত ক্ষয়ক্ষতির চেয়েও ‘আরও বিস্তৃত’ ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর যে ক্ষতি হয়েছে, তা ‘প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ’ এবং এগুলো মেরামতে কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে রয়েছে—গুদামঘর, কমান্ড সদর দপ্তর, বিমান রাখার হ্যাঙ্গার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ অবকাঠামো, রানওয়ে, উচ্চমানের রাডার ব্যবস্থা এবং ডজনখানেক বিমান।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন প্রকাশ্যে এসব ক্ষতির বিস্তারিত তুলে ধরেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম যুদ্ধক্ষেত্রের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ব্যক্তিগতভাবে পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কারণ, তাঁরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা মেরামতের সম্ভাব্য খরচ নিয়ে কোনো তথ্য দিচ্ছেন না। এনবিসিকে এক কংগ্রেশনাল সহকারী বলেছেন, ‘আমরা কয়েক সপ্তাহ ধরে জিজ্ঞেস করছি, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাচ্ছি না। এমনকি পেন্টাগন যখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট চাচ্ছে, তখনো না।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি ও মেরামতের সম্ভাব্য ব্যয় আবারও একটি বিতর্ক উসকে দিতে পারে—ইরানের মতো প্রতিপক্ষের এত কাছাকাছি মার্কিন ঘাঁটি রাখা কতটা যৌক্তিক।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়