শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১২ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক: শান্তি আলোচনায় বারবার আশার আলো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনিশ্চয়তার ঘনঘটা

সিএনএন’র প্রতিবেদন: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে আবারও দেখা দিয়েছে পরস্পরবিরোধী তথ্য, যা এই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তাকেই সামনে এনে দিয়েছে।

সিএনএন’র প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সরাসরি শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে শনিবার (২৫ এপ্রিল) পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তবে একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদে অবস্থান করলেও তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠকে বসবেন না বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম। একই ধরনের তথ্য দিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নুরনিউজ সংস্থাও।

আলোচনার প্রকৃত অবস্থা নিয়ে এই ধরনের অনিশ্চয়তা নতুন কিছু নয়। অতীতেও একাধিকবার এমন পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে এসেছে, যা কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের বিভ্রান্তি থাকা মানেই যে দুই পক্ষের মধ্যে কোনো ধরনের যোগাযোগ হচ্ছে না—এমনটি নয়; বরং ভিন্ন কোনো চ্যানেলে আলোচনা চলতে পারে।

গত মার্চের শেষ দিকেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’ করেছে। কিন্তু তেহরান তা সরাসরি অস্বীকার করে। তবে একই দিনে ইরানের একটি সূত্র সিএনএনকে জানায়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কিছু ‘যোগাযোগ’ হয়েছিল এবং ইরান ‘উপযুক্ত’ প্রস্তাব শুনতে আগ্রহী।

এরপর এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। কয়েক দিন পর ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ইসলামাবাদে আরেক দফা আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই, যদিও কিছু পাকিস্তানি সূত্র ও পশ্চিমা গণমাধ্যমে পরবর্তী বৈঠকের দাবি করা হয়েছিল।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য সংলাপ নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত থাকলেও কূটনৈতিক তৎপরতা যে পুরোপুরি থেমে নেই—তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়