শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:২০ বিকাল
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একসঙ্গে ৫০টি পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণে সক্ষম চীন

চায়না নিউক্লিয়ার এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (সিএনইএ)-এর শুক্রবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, চীন এখন একই সাথে ৫০টি পর্যন্ত পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণ করতে পারে, যা দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতার দ্রুত সম্প্রসারণকে তুলে ধরে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটি নকশা থেকে শুরু করে নির্মাণ পর্যন্ত প্রকল্পের সম্পূর্ণ জীবনচক্র পরিচালনা করতে সক্ষম।এতে বলা হয়েছে, ‘চীনের পারমাণবিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অনুসরণ থেকে তাল মেলানো এবং কিছু ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে।’

কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা হ্রাস করতে বেইজিং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ত্বরান্বিত করছে, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র- ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগে বাড়তি তাগিদ দেখা দিয়েছে। সিএনইএ জানিয়েছে, চীন ২০৩০ সালের মধ্যে পারমাণবিক শক্তিতে একটি শক্তিশালী দেশ হওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে, যা স্থাপিত সক্ষমতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে এবং উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হবে।

বর্তমানে চীনে ৬০টি সচল এবং ৩৬টি নির্মাণাধীন চুল্লি রয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী মোট নির্মাণের অর্ধেকেরও বেশি। এর পাশাপাশি আরও ১৬টি চুল্লি নির্মাণের অনুমোদন হয়েছে। সব প্রকল্প শেষ হলে স্থাপিত চুল্লিহুলোর ক্ষমতা পৌঁছাবে ১শ’ ২৫ গিগাওয়াটে, এবং ২০৪০ সালের মধ্যে তা ২শ’ গিগাওয়াটে উন্নীত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে পারমাণবিক খাতে চীনের বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১শ’ ৬১ বিলিয়ন ইউয়ান (২৩শ’ ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার), যা আগের বছরের তুলনায় ৯দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

অধিকাংশ প্রকল্প উপকূলীয় শিল্পাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত। দেশীয়ভাবে তৈরি তৃতীয় প্রজন্মের হুয়ালং ওয়ান চুল্লির ধারাবাহিক নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে, যার আটটি ইউনিট চালু রয়েছে এবং ৩৩টি অনুমোদিত হয়েছে। বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ এবং কয়লার বিকল্প হিসেবে শিল্পক্ষেত্রে বাষ্প ব্যবহারের জন্য এর পরীক্ষা চলছে। গত বছর চীনের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪.৮২ শতাংশ এসেছে পারমাণবিক শক্তি থেকে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়