শিরোনাম
◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ ◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি ◈ জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার ◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৩১ রাত
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তীব্র খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে বিশ্ব: সতর্ক করলেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত গিল। ১৫ এপ্রিল এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আরও কোটি কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে পড়তে পারে।

গিল জানান, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্য-অনিরাপত্তায় ভুগছে। তবে পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এই সংখ্যা খুব দ্রুতই প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। তিনি এই মন্তব্য করেন আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক স্প্রিং মিটিংসের ফাঁকে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই সম্মিলন।

সংঘাতের ফলে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সার উৎপাদনে। কারণ, অধিকাংশ সার তেলভিত্তিক উপাদানের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে অনেক দেশ নিজেদের খাদ্য মজুত রাখতে রপ্তানি সীমিত বা বন্ধ করে দিতে পারে, যা বৈশ্বিক খাদ্যবাজারে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি করবে। গিল বলেন, ‘রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আমাদের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়।’

গিল সতর্ক করেন—যদি দ্রুত এই সংকটের সমাধান না হয়, তাহলে ক্ষুধা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। বর্তমানে এই সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে এশিয়ায়। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তা দ্রুত আফ্রিকায়ও ছড়িয়ে পড়বে।

গিল জানান, বর্তমানে বাজারে যে খাদ্য রয়েছে, তা আগেই উৎপাদিত। তবে প্রকৃত প্রভাব কয়েক মাস পর স্পষ্ট হবে, যখন উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ফল সামনে আসবে। বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের দৈনন্দিন ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়লে তাদের ওপর এর প্রভাব হবে সবচেয়ে বেশি।

গিল আশঙ্কা করেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে এ বছর বিশ্বে গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪.৭ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়