শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১২ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০২৭ সালের মধ্যে পুরো রাখাইন দখলের ঘোষণা দিল আরাকান আর্মি

মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রাখাইন রাজ্যের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আরাকান আর্মির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন গোষ্ঠীর প্রধান জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং। 

রাখাইন রাজ্যের ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৪টি এবং চিন রাজ্যের পালেতওয়া এখন আরাকান আর্মির দখলে রয়েছে। বর্তমানে কেবল রাজধানী সিত্তওয়ে, কিয়াকফিউ এবং মানাউং শহর মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।

জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং তার বক্তব্যে বলেন, তারা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাবেন এবং জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীর সাথে মিলে লড়াই চালিয়ে যাবেন। 

গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে রাখাইনে এই জোরালো অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। কেবল সামরিক বিজয়ই নয়, তারা ইতোমধ্যে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নিজস্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা, আদালত, স্কুল এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। তবে জান্তা বাহিনীর বিমান ও নৌ-হামলার কারণে এসব এলাকায় সাধারণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

আরাকান আর্মির এই অভাবনীয় সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অন্য দুই সদস্য এবং দেশটির জাতীয় ঐক্য সরকারসহ ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তাদের বার্তায় বলা হয়েছে, আরাকান আর্মির এই অর্জন মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীর জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ। 

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কাচিন রাজ্যের লাইজায় যাত্রা শুরু করেছিল এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি, যা আজ জান্তা বাহিনীর জন্য এক বিশাল মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: মিয়ানমার নাউ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়