ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দেশটির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ নেতা কামাল খারাজি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। এই হামলায় নিহত হয়েছেন তার স্ত্রী। খবর, দ্য টেলিগ্রাফের।
বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) ভোরে তেহরানে তার বাড়িতে চালানো হয় এ হামলা।
এতে খারাজি গুরুতর আহত হন এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হামলাটি এমন এক সময়ে চালানো হলো, যখন সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভাষণে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার 'খুব কাছাকাছি' রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ হামলাকে কূটনীতি ব্যাহত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন, কারণ ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের একটি সম্ভাব্য সরাসরি বৈঠকের জন্য পাকিস্তানের সাথে সম্পৃক্ততা তদারকিতে জনাব খারাজি ভূমিকা পালন করছিলেন ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভ্যান্স মঙ্গলবার পর্যন্তও ইরান সংঘাত নিয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খারাজির ওপর হামলাটি সেই ভঙ্গুর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
অবশ্য গত মার্চে তেহরানে সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জনাব খারাজি দাবি করেন, ইরান দীর্ঘ সময় ধরে এই সংঘাত চালিয়ে যেতে পারে এবং তিনি কূটনীতির কোনো সুযোগ দেখছেন না।
উল্লেখ্য, কামাল খারাজি ১৯৯৭ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইরানের সংস্কারপন্থী সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ খাতামির অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।