শিরোনাম
◈ ৯৪ মিনিটে গোল, সুইসদের বিপক্ষে কাতারের অবিশ্বাস্য ড্র ◈ শান্তিচুক্তি সইয়ের সময়সূচি ঘোষণা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান ◈ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে, লবণচাষীরা পাবেন ন্যায্যমূল্য ◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:৪১ রাত
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সীমান্তের বাধা জয় করে ভালোবাসা: বাংলাদেশিকে কিডনি দিলেন ভারতীয়

নিজের বাংলাদেশি আপন ভাইকে কিডনি দান করেছেন ভারতীয় বোন। সীমান্তে অপর প্রান্তে থাকা ভাই স্বপনের প্রতি বোন অনুপা বিশ্বাসের এমন ভালোবাসা মুগ্ধ করেছে সবাইকে।

৪৩ বছর বয়সী স্বপন পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তার কিডনি প্রতিস্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে স্বপনের। তার বড় বোন, ভারতীয় নাগরিক অনুপা ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। তিনি স্বপনকে নিজের একটি কিডনি দেন।

গত ৩ জানুয়ারি স্বপনের সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। এরপর হাসপাতাল থেকে তিনি বাড়িতেও চলে যান।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, স্বপন ও অনুপার বাবা-মা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের জীবনরক্ষায় ভারতে চলে যান। তারা বুর্দওয়ানে আশ্রয় নেন এবং বেশ কিছু বছর থাকেন। এরপর সাতক্ষীরায় নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে আসেন। তবে অনুপাকে বুর্দওয়ানের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ে হওয়ায় অনুপা সেখানে থেকে যান। আর তাদের বাবা-মা তিন সন্তানকে নিয়ে ফিরে আসেন।

স্বপন বলেছেন, “পরিস্থিতি ভালো হওয়ার পর আমরা যখন বাংলাদেশে ফিরে আসি। তখনও আমি অনেক ছোট ছিলাম। কিন্তু বোনকে রেখে আসি। কারণ তখন তিনি বিবাহিত ছিলেন।”

২০১৮ সালে কিডনি বিকল হয়ে যায় স্বপনের। এরপর থেকে তার ডায়ালসিস চলছিল। শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তিনি আর কোনো কাজও করতে পারছিলেন না। তার তিন বোন, যারমধ্যে একজন ভারতে, তারা তাকে আর্থিকভাবে সহায়তা শুরু করেন।

কলকাতার একটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা যখন তাকে কিডনি প্রতিস্থাপনের কথা বলেন। তখন ৫৫ বছর বয়সী অনুপাই সবার আগে এগিয়ে আসেন।

চিকিৎসকরা তাদের কিডনিতে ১০০ শতাংশ জিনগত মিল পান। এতে করে কিডনি দানের বিষয়টি অনেক সহজ হয়ে যায়।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, ভাই ও বোনের মধ্যে কিডনি দানের বিষয়টি বিরল না হলেও। সীমান্তের এক পাশে থাকা বোনের সীমান্তের অপর পাশে থাকা ভাইকে কিডনি দেওয়ার ঘটনা খুব সম্ভবত আর নেই।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়