শিরোনাম
◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হতে পারে: দিনেশ ত্রিবেদী ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ ◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি ◈ জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার ◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ

প্রকাশিত : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১৭ দুপুর
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৯ বছরের প্রেম, বিয়ের কয়েক মাসেই স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যা

ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে দীর্ঘ নয় বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর গত বছরের নভেম্বরে বিয়ে করেছিলেন জিতেন্দ্র কুমার যাদব ও জ্যোতি। তবে বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই সেই সম্পর্ক ভয়াবহ পরিণতির দিকে গড়ায়। ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারেলিতে স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও শ্যালকের যোগসাজশে জিতেন্দ্র কুমার যাদবকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। খবর এনডিটিভির।

পুলিশ জানায়, ৩৩ বছর বয়সী জিতেন্দ্রকে শহরের ইজ্জতনগর এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হলেও ময়নাতদন্তে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ হিসেবে ‘গলা টিপে হত্যা’ নিশ্চিত হয়।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন জিতেন্দ্রের স্ত্রী জ্যোতি। এ সময় তাকে ধরে রাখতে সহায়তা করেন তার বাবা কালিচরণ, মা চামেলি ও ভাই দীপক। হত্যার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে জিতেন্দ্রের মরদেহ জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে প্রতিবেশীদের জানানো হয়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে জ্যোতির আরেক ভাই পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দম্পতির মধ্যে আর্থিক বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধ শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, জিতেন্দ্র তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব থেকে ২০ হাজার রুপি তুলে অনলাইন জুয়ায় হারান। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। গত ২৬ জানুয়ারি হারানো অর্থ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পুলিশ জানায়, ওই সময় জ্যোতি তার বাবা-মা ও ভাইকে বাড়িতে ডেকে আনেন। স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার মধ্যেই তারা জিতেন্দ্রকে ধরে রাখেন এবং জ্যোতি শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন।

প্রথমে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে নিলেও, নিহতের ভাই অজয় কুমারের অভিযোগের পর পুনরায় তদন্ত শুরু হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার প্রমাণ পাওয়ায় মামলা আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ থেকে পরিবর্তন করে হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে জ্যোতি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তিনি তদন্তকারীদের জানান, শিক্ষাজীবন থেকেই জিতেন্দ্রের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তবে বিয়ের পর নিয়মিত আর্থিক বিরোধ ও পারিবারিক কলহের কারণে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের শুরু হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়