শিরোনাম
◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:৩৬ রাত
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সীমান্তে স্ক‍্যাম চক্র: মিয়ানমারের ১১ নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলো চীন

মিয়ানমারের চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় বড় পরিসরের অনলাইন প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনার অভিযোগে কুখ্যাত ‘মিং পরিবার’-এর ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই চক্রের কার্যক্রম থেকে ১ হাজার কোটি ইউয়ানেরও বেশি আত্মসাৎ করা হয় এবং এতে অন্তত ১৪ জন চীনা নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। 

আদালতের তথ্যমতে, মিং পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অবৈধ আটক, জুয়া পরিচালনা এবং পাচার হওয়া শ্রমিকদের ওপর সহিংসতার মতো গুরুতর অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব শ্রমিককে জোর করে অনলাইন প্রতারণা চালাতে বাধ্য করা হতো।

২০২৩ সালে চীনা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঝেজিয়াং প্রদেশের একটি আদালত তাদের সাজা ঘোষণা করে। মিয়ানমারের শান প্রদেশে সংঘর্ষের সময় জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সীমান্ত শহর লাউক্কাইংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর মিং পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। একসময় এই শহরটি প্রতারণা চক্রের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বেইজিং এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকে অন্যান্য অপরাধী নেটওয়ার্কের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে। কর্মকর্তারা বলেন, প্রতারণার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকটি পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এর মধ্যে বাই, ওয়েই ও লিউ পরিবারও রয়েছে, যাদের কয়েকজন সদস্য মৃত্যুদণ্ডের মুখে আছেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অনলাইন স্ক্যাম পরিচালনার জন্য কয়েক লাখ মানুষকে পাচার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় চীনা নাগরিকদের সম্পৃক্ততা বেশি এবং প্রতিবছর প্রতারণার মাধ্যমে বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হচ্ছে।

শূন্য দশকের শুরুতে মিয়ানমারের চীন সীমান্তবর্তী লাউক্কাইং অঞ্চলে মিং পরিবারের উত্থান ঘটে। তারা এই অঞ্চলকে ক্যাসিনো, যৌনপল্লি ও প্রতারণা কেন্দ্রের হাবে পরিণত করে। উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, সেখানে নিয়মিত নির্যাতন, মারধর এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আটকে রাখার ঘটনা ঘটতো।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়