শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ ◈ প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯ ◈ ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি, ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ বিশ্বকাপের ক‌য়েক ঘণ্টা আগেই ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে ফ্রা‌ন্সের আদাল‌তে মামলা করলেন মি‌শেল প্লাতিনি ◈ শুধু মাতৃভূমি নয়, বিশ্বশান্তির জন্যও কাজ করছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:২৫ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রেকর্ড সর্বনিম্ন জন্মহারে টানা চতুর্থ বছর কমল চীনের জনসংখ্যা

সরকারের ধারাবাহিক প্রণোদনা সত্ত্বেও চীনে জন্মহার নেমেছে রেকর্ড সর্বনিম্নে। একইসঙ্গে টানা চতুর্থ বছরের মতো কমেছে দেশটির মোট জনসংখ্যা। 

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর (এনবিএস) সোমবার প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, ২০২৫ সালে প্রতি হাজার জনে জন্মহার নেমে এসেছে ৫ দশমিক ৬৩-তে, যা ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসার পর সর্বনিম্ন। 

একই সময়ে মৃত্যুহার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ৮ দশমিক ০৪ জনে, যা ১৯৬৮ সালের পর সর্বোচ্চ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে চীনের মোট জনসংখ্যা ৩৩ লাখ ৯০ হাজার কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪০ কোটিতে। 

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, ওই বছর দেশে জন্ম হয়েছে ৭৯ লাখ ২০ হাজার শিশুর, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। বিপরীতে মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখের বেশি।

বার্ধক্যজনিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সংকুচিত কর্মশক্তির চাপে পড়ে বেইজিং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জন্মহার বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। 

২০১৬ সালে এক-সন্তান নীতি বাতিল করে দুই সন্তানের অনুমতি দেওয়া হয়, পরে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ তিন সন্তান নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিন বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুর জন্য অভিভাবকদের বছরে ৩ হাজার ৬০০ ইউয়ান নগদ সহায়তার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব উদ্যোগে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। উইসকনসিন–ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যাবিদ ই ফুশিয়ান গার্ডিয়ানকে বলেন, ২০২৫ সালের জন্মসংখ্যা প্রায় আঠারো শতকের সমান, যখন চীনের মোট জনসংখ্যা ছিল অনেক কম। বর্তমানে চীনা পরিবারে গড় সন্তানসংখ্যা মাত্র এক।

জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শতাব্দীর শেষ নাগাদ চীনের জনসংখ্যা বর্তমানের অর্ধেক হয়ে যেতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন জনসংখ্যা সংকট বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদে কর্মশক্তি, পেনশন তহবিল ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়