শিরোনাম
◈ প্রতি তিনজন স্নাতকের একজন বেকার: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শ্রমবাজার ◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও

প্রকাশিত : ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:১০ রাত
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাকিস্তানের কাছে যেভাবে যুদ্ধবিমানের বাজার হারাল ভারত

চীনের সঙ্গে যৌথ ব্যবস্থাপনায় পাকিস্তানের তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান এখন ‘হট কেকে’ পরিণত হয়েছে। পূর্ব এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে এই মাল্টিরোল ফাইটার জেটের সুখ্যাতি। ইন্দোনেশিয়া-সৌদি আরবের মতো দেশগুলো এই যুদ্ধবিমান পেতে রীতিমত ‘লাইন’ ধরেছে।

অন্যদিকে যুদ্ধবিমান ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের অবস্থান তৈরির জন্য কম চেষ্টা চালায়নি পাকিস্তানের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। হিন্দুস্তান অ্যারনটিকস লিমিটেডের (হাল) তৈরি তেজাস সিরিজের যুদ্ধবিমান বিক্রির জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছে তারা। কিন্তু ২০০১ সালে প্রথম উৎপাদন করা হলেও  অদ্যাবধি এই যুদ্ধবিমানের একটি ইউনিটও রপ্তানি করতে পারেনি ভারত।

পাকিস্তান এবং ভারতের যুদ্ধবিমান ইন্ডাস্ট্রির জন্য ২০২৫ সালকে ‘টার্নিং পয়েন্ট বলা যায়। এই বছরের মে মাসে ‘৪ দিনের যুদ্ধে’ জড়ায় দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই বৈরি প্রতিবেশী। এতে দুই পক্ষের যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে যুদ্ধবিমানের লড়াইয়ে পাকিস্তান ‘একপ্রকার’ জিতে যায়। তারা ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহরে থাকা ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করে। সে দাবি এখন পর্যন্ত ভারত খণ্ডন করতে পারেনি।

এই যুদ্ধে পাকিস্তানের বহরে থাকা জেএফ-১৭ থান্ডার ও চীনের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমানের লড়াইয়ের সক্ষমতা দেখে চমকে যায় বিশ্ব। যুদ্ধ চলাকালেই এই দুই ফাইটার জেট নিয়ে গবেষণা শুরু করেন যুদ্ধাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ফ্রান্সের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে পাকিস্তানকে টেক্কা দেয়ার চেষ্টা করেছে ভারত। নিজেদের তৈরি তেজাস যুদ্ধবিমান আলোচনাতেই আসেনি।

আর গত নভেম্বরে ভারতের উচ্চাভিলাষী এই যুদ্ধবিমানের ‘কফিনে’ শেষ পেরেক ঠোকা হয়ে যায়। দুবাই এয়ার শো-তে তেজাস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে মারা যান পাইলট। এই দুর্ঘটনার পর তেজাস ক্রয়ের জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনা থেকে সরে যায় আর্মেনিয়া।

অন্যদিকে জেএফ-১৭ থান্ডার পাকিস্তান বাদে অন্তত তিনটি দেশ ব্যবহার করছে। আজারবাইজান ৪০টি বিমান অর্ডার করেছে, যার মধ্যে পাঁচটি ডেলিভারি দেয়া হয়েছে। মিয়ানমারের অর্ডার করা ১৬টি বিমানের মধ্যে ১৩টির ডেলিভারি পেয়েছে। নাইজেরিয়ার বিমান বাহিনীও ৩টি বিমানের ডেলিভারি পেয়েছে। আর পাকিস্তানের বিমান বাহিনীতে ১৬১টি জেএফ-১৭ থান্ডার রয়েছে।

এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া ৪০টি জেএফ-১৭ থান্ডার কিনতে চায়। লিবিয়া ১৬টি অর্ডার দিয়ে রেখেছে। সৌদি আরব পাকিস্তানকে দেয়া ঋণের বিনিময়ে এই যুদ্ধবিমান নিজেদের বহরে যোগ করতে চায়। আরও বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে জেএফ-১৭ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ।

এভাবেই যুদ্ধবিমান রপ্তানির দিক দিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে যোজন-যোজন পেছনে ফেলে দিয়েছে পাকিস্তান। উৎস: চ্যানেল24

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়