শিরোনাম
◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা ◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪০ দুপুর
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

ভোটার উপস্থিতিই কি নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বানায়?

এল আর বাদল : নির্বাচন কমিশন ১২টি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির যে হিসাব প্রকাশ করেছে সে অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেই সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে বলে দেখা যায়। সেবার পাঁচ কোটি ৬১ লাখের বেশি ভোটারের মধ্যে ২৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ ভোট পড়ে।

আর সবচেয়ে বেশি, ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। যদিও বাংলাদেশের ইতিহাসের বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর মাঝে অন্যতম হলো ওই নির্বাচন।

তাই, ভোটার উপস্থিতি বেশি হওয়া মানেই এটা না যে সেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য। আমাদের দেখতে হবে যে উপস্থিতি স্বতঃস্ফূর্ত কি না। যেমন, ২০১৮ সালে ভোটার উপস্থিতি ছিল অনেক। কিন্তু সেই নির্বাচন নিয়ে তো অনেক প্রশ্ন আছে, বলছিলেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল আলীম।

তার মতে, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বড় একটা বিষয়। আমরা যদি আগে থেকেই জানি যে কে জয়ী হতে যাচ্ছে, তাহলে তো হলো না। আমরা সেই নির্বাচনকে বলি মিনিংলেস (অর্থহীন) নির্বাচন। যেমন, ২০১৪ সালে আমরা জানতাম যে কে জিততে যাচ্ছে। আর, নির্বাচন মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর। সুতরাং, নির্বাচনে দলগুলোর সমান অংশগ্রহণও এখানে জরুরি। অর্থাৎ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হতে হবে, যোগ করেন তিনি।

এসময় তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ওই নির্বাচনে ডামি প্রার্থী ছিল অনেক। মানে, একই দলের একাধিক প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছিলো। এটা অন্য নির্বাচনের চেয়ে আলাদা। এসব কারণেই ভোটার উপস্থিতি কম ছিল।"

আব্দুল আলীম বলছিলেন, নির্বাচন যখন অংশগ্রহণমূলক হয় না, তখন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে আগ্রহী হয় না। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর ভোটারদের আস্থা থাকাও এখানে জরুরি।

এই নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিনগুলোতে নির্বাচনের মাঠকে শতভাগ সমতল রাখা উচিত। আর কোনো অভিযোগ উঠলে সেটিকে উড়িয়ে না দিয়ে নির্বাচন কমিশনের উচিত সেটিকে যাচাই করে দেখা। ---- সূত্র, বি‌বি‌সি বাংলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়