শিরোনাম
◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৯ মে, ২০২৬, ০৬:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য বড় স্বস্তি: ২% জমা দিলেই নিয়মিত হবে খেলাপি ঋণ

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যবসা করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছে বা মার্কিন ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালু করতে আবার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এবার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোক ২ শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিয়েছে। এ ঋণের নতুন মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১০ বছর। ঋণ নিয়মিত হলে শুরুতে দুই বছর ঋণ পরিশোধে বিরতি সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে যারা আগে নীতিসহায়তার আওতায় ঋণ নিয়মিত করেছে, তারা নতুন সুযোগটি পাবে না।

গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত যাদের ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েছে, তারাই কেবল এ সুযোগ পাবে। কোনো প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি পেতে চাইলে সেটিকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে হবে। ব্যাংকগুলোই এ আবেদন নিষ্পত্তি করবে। তবে নিষ্পত্তি করতে হবে আবেদন গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে।

খেলাপি ব্যবসায়ীদের ঋণ পুনঃ তফসিল করার সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ গতকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া সুযোগটি নতুন করে আবার দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঋণ পুনঃ তফসিলের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। একইভাবে এককালীন ঋণ পরিশোধ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে এক বছর সময় পাবেন গ্রাহকেরা। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোনো অনাপত্তি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আবেদন গ্রহণের তিন মাসের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে। নীতিসহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট চেক বা অন্য কোনো ইনস্ট্রুমেন্টের মাধ্যমে প্রদান করা হলে তা নগদায়নের পর থেকে তিন মাসের হিসাব করতে হবে। এককালীন জমা দেওয়া অর্থ ব্যাংকে জমার আগে নীতিসহায়তার আবেদন কার্যকর করা যাবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এককালীন ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে ঋণগুলো হিসাবে দেখাতে হবে। এসব ঋণের বিপরীতে যথানিয়মে সাধারণ নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রকৃত আদায় ছাড়া এই ঋণ হিসাবের বিপরীতে ইতিপূর্বে সংরক্ষিত সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা সঞ্চিতি ব্যাংকের আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে না। তবে তার অংশ বিশেষ সাধারণ প্রভিশন সংরক্ষণের লক্ষ্যে স্থানান্তর করা যাবে। সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিদ্যমান ঋণ ছাড়া কোনো নতুন ঋণসুবিধা প্রদান করা যাবে না।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়