শিরোনাম
◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি ◈ অক্সফোর্ডে অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের স্লোগান, পাল্টা হাসনাত আবদুল্লাহর ‘মিডল ফিঙ্গার’ প্রদর্শন ◈ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বেনজীরকে দেশে ফেরাতে বাংলাদেশকে ৩০ দিনের সময় দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ◈ ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব ◈ বিশ্বকা‌পে মারা‌দোনা‌কে নি‌য়ে এক প্রজন্মের হৃদয়ভাঙার গল্প! ◈ চার দিন শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর ১২ জনকে ফেরত নিল ভারত ◈ ভারতের ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় যে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে আইভ্যাক ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ বাতিল হচ্ছে!

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:১৪ বিকাল
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব: খোলা তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা বৃদ্ধি

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে। বিশেষ করে বড় প্রভাব দেখা গেছে ভোজ্যতেলে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা ভোজ্যতেলের লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে খোলা পাম তেলের দামও।

ঈদুল ফিতরের আগে থেকেই ভোজ্যতেলের দাম একটু একটু করে বাড়ছিল। তবে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেশ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারে। জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের অজুহাতে পরিবহন মালিকরা ভাড়া বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসবের প্রভাব পড়েছে পাইকারি ও খুচরা বাজারের তেলের দামে।

​খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, মিলগেট থেকে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে; যার প্রভাব পড়েছে ভোক্তা পর্যায়ে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর রায়সাহেব বাজার, কলতাবাজার, লক্ষ্মীবাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে খোলা সয়াবিন সাধারণত কেজি ও লিটার দুভাবেই বিক্রি হয়। সরেজমিন দেখা গেছে, বাজারভেদে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ গত সপ্তাহেই খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায় কেনা গেছে। একইভাবে খোলা পাম তেলের দাম প্রতি লিটার ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যার দাম গত সপ্তাহে ছিল প্রায় ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা প্রতি লিটার।

রহমান অয়েল ট্রেডার্সের মালিক আব্দুর রহমান বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। আমরা আগের দামে কিনতে পারছি না, তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ভাই ভাই ভোজ্য তেল ভান্ডারের বিক্রয়কর্মী মো. সোহেল জানান, সরবরাহ ঠিকমতো না থাকায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। কোম্পানি থেকে বেশি দামে তেল আসছে, তাই খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ছে।

মা ট্রেডার্স আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকার মিজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশে সমন্বয় করা হয়নি। এর ওপর যুদ্ধের কারণে আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পরিবহন খরচও বেড়েছে ট্রাক প্রতি ১ হাজার টাকার মতো। এর ফলে তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে ক্রেতারা এই মূল্যবৃদ্ধিতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ক্রেতা রহিমা বেগম বলেন, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

আরেক ক্রেতা হাসান আলী বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে তেলের দাম এতটা বাড়বে ভাবিনি। আমাদের আয় বাড়ছে না, কিন্তু খরচ বাড়ছেই।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে ভোজ্যতেল পরিশোধন কোম্পানিগুলো খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম সমন্বয় করেছিল। তাতে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৭৬ ও পাম তেলের দাম ১৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এখন সেই ঘোষিত দামের চেয়েও ২০-২৫ টাকা বেশি দামে বাজারে খোলা সয়াবিন ও পাম তেল বিক্রি হচ্ছে। উৎস: বাংলাট্রিবিউন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়