শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০৬ মে, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁ থেকে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১৪

চট্টগ্রামে ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতাসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গতকাল রোববার নগরীর হালিশহর বিশ্বরোডের একটি রেস্তোরাঁয় গোপন বৈঠক থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যকলাপ এবং নাশকতা পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে ওই গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন যুবলীগ নেতা মো. শহিদুল ইসলাম (৩৭), মো. নয়ন (১৯), মেহেদী হাসান সোহান (২১), ইব্রাহীম (২৪), সাজ্জাদ হোসেন রাকিব (২৪), ঈসমাইল (২৬), রবিউল ইসলাম রাজু (২০), সাকিল খান (২০), রাজিব (২৯), আশরাফুল (১৯), জাহেদ হোসেন (৩৪), আরিফ (২৫), মো. রাফি (২০) ও ইমাম হোসেন (৩০)। তাঁদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম সংগঠনটির অনলাইন প্ল্যাটফর্মের অ্যাডমিন।

নগর ডিবি পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ ও নাশকতার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি (উত্তর) বিভাগের একটি চৌকস দল ওই রেস্তোরাঁর পার্টি হলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এরপর সেখানে গোপন বৈঠকে মিলিত হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।


মো. হাবিবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলামের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা দুটি মোবাইল ফোন পর্যালোচনা করে জানা যায়, তিনি ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে একটি গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে রয়েছেন।

এ ছাড়া ‘চট্টগ্রাম দক্ষিণ’, ‘চট্টগ্রাম উত্তর’ ও ‘ফেনী জেলা’ নামে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অ্যাডমিন হিসেবেও তিনি রয়েছেন। অনলাইনে এসব গ্রুপের মাধ্যমে শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনা করে আসছিলেন। তাঁর সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা এসব গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।

ডিবিপ্রধান আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই শহিদুল ইসলামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঘটনার দিন রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, জনসাধারণের ক্ষতিসাধন, জনমনে ভয়ভীতি সৃষ্টি, নাশকতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হন।

এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বল জানা গেছে, গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলাম লালখান বাজার ওয়ার্ড যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর বাড়ি ফেনী সদর উপজেলায়। এ ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁরা আনন্দবাজার এলাকায় থাকেন। তাঁদের মধ্যে নয়ন পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়