শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২৬, ০৮:২৭ রাত
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায়

রুকুনুজ্জামান, পার্বতীপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বর্তমানে নানা সংকট ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত কয়লা মজুত এবং আর্থিক লোকসানের অজুহাতে খনিটিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টরা।

খনি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উত্তোলিত অতিরিক্ত কয়লা ইয়ার্ডে পড়ে থাকায় প্রায়ই কয়লার স্তূপে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যা পরিস্থিতিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত চাপের কারণে খনির বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে পড়েছে এবং বৃষ্টির পানিতে কয়লা ভেসে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে আশপাশের সড়কসহ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ও দেশীয় চাহিদার তুলনায় কম দামে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-কে কয়লা সরবরাহ করায় খনিটি আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র-এর ৩টি ইউনিটের মধ্যে ২টি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় উৎপাদিত কয়লার বড় অংশ ব্যবহার না হয়ে ইয়ার্ডে জমে থাকছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাবে।

খনির শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন খনিটি রক্ষায় ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—খোলাবাজারে কয়লা বিক্রির অনুমতি, পিডিবিকে সরবরাহকৃত কয়লার মূল্য বৃদ্ধি এবং নতুন এলাকায় খনি সম্প্রসারণে ভূমি অধিগ্রহণ। শ্রমিকদের আশঙ্কা, লোকসানের অজুহাতে খনিটি বন্ধ করে দেওয়া হলে প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার পরিবার জীবিকা হারাবে।

এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, খনির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কোল ইয়ার্ডে জায়গা সংকটের কারণে উত্তোলিত কয়লা সংরক্ষণে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

অপরদিকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়