শিরোনাম
◈ প্রতি তিনজন স্নাতকের একজন বেকার: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শ্রমবাজার ◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩০ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবসে বক্তারা শব্দদূষণ রোধে জোরালো পদক্ষেপ নিন

শাহাজাদা এমরান, স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা : শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নগরজীবনে সহনীয় শব্দমাত্রা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম,পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুসাব্বের হোসেন মোহাম্মদ রাজিব, ইনস্পেক্টর (প্রশাসন ও অর্থ) সাদিকুর রহমান, বাপা’কুমিল্লার  সভাপতি বদরুল হুদা জেনু, সুজনের সভাপতি শাহ আলমগীর খান, সাপ্তাহিক অভিবাদন সম্পাদক আবুল হাসানাত বাবুল, নাগরিক অধিকার ফোরাম কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা এমরানসহ  বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, পরিবেশবাদী কর্মী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই সচেতন হলে একটি স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শব্দদূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অনিয়ন্ত্রিত শব্দদূষণ বর্তমানে একটি নীরব ঘাতকে পরিণত হয়েছে, যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উচ্চমাত্রার শব্দের কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস, অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক অস্থিরতাসহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য ছিল—‘শব্দ কমাই, শান্ত পরিবেশ গড়ি’, যা বাস্তবায়নে সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই বলে মত দেন বক্তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়