শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইজারাকৃত জমির পটল গাছ ট্রাক্টরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আহাজারি

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলি ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে এক কৃষকের ইজারাকৃত জমির পটল গাছ ট্রাক্টর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জমির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বশির উদ্দিন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

ঘটনাটি শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বশির উদ্দিন সন্তোষপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলাম খানের এক বিঘা জমি প্রতি বছর ২০ হাজার টাকায় ইজারা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছিলেন।

সম্প্রতি জমির মালিক নুরুল ইসলাম খানের মৃত্যুর পর তার চার ছেলে—মামুন খান, মিজানুর, মোস্তাক ও রাসেলের মধ্যে জমি বণ্টন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত শুক্রবার মিজানুর ও মোস্তাক ট্রাক্টর দিয়ে জোরপূর্বক বশির উদ্দিনের পটলের মাচা গুঁড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এতে কৃষকের প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী বশির উদ্দিন বলেন, “আমি গরিব মানুষ। অনেক কষ্ট করে পাঁচ বছর ধরে এই জমি ইজারা নিয়ে চাষ করি। পটল ধরেছে—আর কিছুদিন সময় দিলে ফসল তুলে জমি বুঝিয়ে দিতাম। কিন্তু তারা আমার কথা না শুনে ট্রাক্টর দিয়ে সব গুঁড়িয়ে দেয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় মিজানুর ও মোস্তাকের সঙ্গে স্থানীয় মুক্তার গাজী, ওসমান, রশিদ গাজী ও মাছিরুলও জড়িত ছিলেন।

কৃষকের ভাই মোতালেব হোসেন বলেন, “চাষাবাদই আমাদের একমাত্র ভরসা। মালিকপক্ষের পারিবারিক বিরোধের কারণে আমাদের এত বড় ক্ষতি হলো। আমরা ক্ষতিপূরণ ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ জানান, “এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়