শিরোনাম
◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১৮ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা : জিজ্ঞেসাবাদে চারজন আটক, প্রাথমিক ধারণা জমি নিয়ে বিরোধ

আশরাফুল নয়ন, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুরে দুই শিশুসহ পরিবারের চার সদস্যকে জবাই করে হত্যা ডাকাতি নাকি জমি নিয়ে বিরোধ তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি।

এই ঘটনায় জিজ্ঞেসাবাদের জন্য নিহত হাবিবুর রহমানের পিতা নুমির উদ্দীন, বড় বোন ডালিমা, মেঝ বোন শিরিনা ও ভাগনে সবুজকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে নওগাঁ ও রাজশাহী থেকে পুলিশের সিআইডি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করছে। এ সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে কোন ডাকাতি৷ বা দস্যুতা নয়, জমি নিয়ে বিরোধ জেরেই হত্যাকান্ড ঘটেছে।

সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে এই নিশংস ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে বাহাদুরপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন, হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০), ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান,  তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আলাদা আলাদা শয়ন কক্ষে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তবে একই বাড়িতে আলাদা ঘরে অক্ষত অবস্থায় ছিলেন নিহত হাবিবুর রহমানের পিতা নুমির উদ্দীন। তিনি সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন।  তবে ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

তবে বেশ কিছু দিন হলো তিনি একমাত্র ছেলে হাবিবুরকে দশ বিঘা জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে মেয়ে ও নাতিদের সঙ্গে বিবাদ চলে আসছিল। তাছাড়া কয়েক দিন নিহত হাবিবুর দুই লক্ষ টাকায় গরু বিক্রি করেছিল। সেই টাকা ঘটনার দিন বাড়িতেই ছিল।

নিহত গৃহবধি পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অভিযোগ করেন, তার মেয়ের ননদ শিরিনা ও তার ছেলে সবুজ রানা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তারা তার মেয়ে ও জামাইকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রতিবেশী সাহেব আলী বলেন, ঈদের আগে বোন শিরিনার ছেলে ভাগনা সবুজ লুডুস এনে দিলে সেই লুডুস খেয়ে সকলেই অচেতন হয়ে পরে। পরে পাগল হয়ে যাওয়ার উপক্রম।  চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়।

পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা৷ হচ্ছে ঘটনাটি ডাকাতি নয়। জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদ নিয়ে হতে পারে। তবে আমরা অধিক গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখছি। জিজ্ঞেসাবাদের জন্য পরিবারের চার জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত আমরা সত্য উদঘাটন করতে পারব।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়