ডেস্ক রিপোর্ট: পবিত্র মাহে রমজান শেষে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন সবাই। সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে, ঈদের জামাতে শামিল হন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
রমজানে রোজা রাখার পর ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা মাসের শেষে ঈদুল ফিতর পালন করেন। ঈদ খুশি নিয়েই হাজির হয়। সেই খুশি ছড়িয়ে পড়ে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে এক মহামিলনের সীমানায়।
ঢাকা পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এবার ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৭৭১টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১২১টি ঈদগাহ এবং ১ হাজার ৫৯৯টি মসজিদে মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়া বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে এখানে জামাত সম্ভব না হলে বিকল্প হিসেবে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার আকাশ মেঘলা এবং দেশের অন্যান্য স্থানে কোথাও কোথাও আকাশ আংশিক মেঘলা রয়েছে। কোথাও বা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।
জাতীয় ঈদগাহে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। এখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ প্রায় ৩৩০ জন ভিআইপি এবং প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সাধারণ মুসল্লির জন্য নামাজে অংশ নেন। নারীরা পৃথক পর্দার ব্যবস্থায় জামাতে শামিল হন।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদ জামাত সকাল ৭টা, সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া দুই সিটি করপোরেশনের এলাকাভিত্তিক মসজিদগুলোতেও ঈদের নামাজ আদায় হবে।
এদিকে, প্রিজেনের সাথে ঈদ করতে শহরাঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ ছুটে গেছে গ্রামের বাড়িতে। ঢাকা শহর তাই অনেকটা ফাঁকা। খুশির এই দিনে নতুন জামাকাপড় পরে উৎসবে মেতে ওঠে সব বয়সি মানুষ। বড়রা ছোটদের নতুন উপহার এবং সেলামির টাকা দেয়, যা এই দিনের খুশির চেতনা এবং তাৎপর্যকে প্রতিফলিত করে। ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে বিশেষ খাবার তৈরি করা হয় এবং সবাই একে অপরের বাড়িতে বেড়াতে যান।
এর আগে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপন করা হয় ঈদুল ফিতর। পটুয়াখালী, চাঁদপুর, মাদারীপুরসহ কয়েকটি জেলায় ঈদের নামাজে অংশ নেন মুসল্লিরা। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। এছাড়া মুসলিম বিশ্বে একদিনে ঈদ উদযাপনের পরামর্শ তাদের।