শিরোনাম
◈ এবার বিবাহ নিবন্ধন নিয়ে সরকারের বড় যে ঘোষণা ◈ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি গঠন ভারতের ◈ পদত্যাগ করলেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন ◈ ভারতে প্রবেশ না করেই দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন ড. জাহেদ উর রহমান (ভিডিও) ◈ রাজধানীর মহাখালী-তেজগাঁও সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবরোধ ◈ এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে গায়েব! ওসির নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বহনকারীকে! ◈ নিউজিল‌্যা‌ন্ডের বিরু‌দ্ধে দু'বার পি‌ছি‌য়ে প‌ড়ে সান্ত্বনার ড্র নি‌য়ে মাঠ ছাড়‌লো ইরান ◈ আ‌র্জেন্টিনা‌কে হতাশায় ফেল‌তে পা‌রে আলজেরিয়ার ৪ তারকা ফুটবলার ◈ আকাশে আগুনের গোলা, উড্ডয়নের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে বি-৫২ বোমারু বিমান যেভাবে বিধ্বস্ত হয়, নিহত ৮ ◈ নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে মদ নিয়ে বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে দর্শক! ‘নিনজা টেকনিকে’ অবাক দুনিয়া

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৮ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটি থেকে মিজোরামে বেওয়ারিশ কুকুর পাচারের অভিযোগ

‎‎রাঙামাটির লংগদু উপজেলা থেকে বেওয়ারিশ কুকুর ধরে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, গলায় দড়ি বেঁধে টেনেহিঁচড়ে একের পর এক কুকুর বোটে তোলা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এসব কুকুর জবাই করে বিক্রি ও ভক্ষণ করার উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের মিজোরাম রাজ্যে পাচার করা হচ্ছে। 

অভিযোগ রয়েছে, মিজোরামে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীর একটি উৎসবকে কেন্দ্র করে এসব কুকুর বিক্রি করা হয় এবং প্রতিটি কুকুর ৭ হাজার থেকে ১০ হাজার রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে নিয়মিতভাবে কুকুর ধরে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করতে দেখা গেছে।

‎স্থানীয়রা জানান, সীমান্তবর্তী এ জেলায় এর আগেও একাধিকবার একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। কয়েক বছর আগে রাঙামাটি শহর ও পৌর এলাকা থেকে প্রকাশ্যে কুকুর ধরে পাচারের ঘটনা সামনে এলে প্রশাসন অভিযান চালায়। এরপর থেকে শহর কেন্দ্রিক তৎপরতা কমলেও বর্তমানে চক্রটির টার্গেট হয়েছে দুর্গম উপজেলা ও সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলো।

‎এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিকে প্রশাসনিক দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাদের মতে, কার্যকর নজরদারি ও সচেতনতামূলক উদ্যোগের অভাবেই এমন ঘটনা ঘটছে।

‎স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলছেন, রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুরের স্বাস্থ্যগত অবস্থা সম্পর্কে জানা না থাকায় এগুলোতে জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগ থাকার ঝুঁকি থাকে। যথাযথ ভেটেরিনারি পরীক্ষা ছাড়া এসব প্রাণী জবাই ও ভক্ষণ করলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে।

রাঙামাটি জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. দেবরাজ চাকমা বলেন, ‎শহরের বাস্তুতন্ত্রে কুকুর বর্জ্যভুক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ইঁদুরসহ কিছু ক্ষতিকর প্রাণীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। নির্বিচারে কুকুর নিধন হলে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।

‎অন্যদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিকল্যাণ আইন অনুযায়ী মালিকবিহীন কোনো প্রাণী হত্যা বা অপসারণ করা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও আইনের শাসনের জন্য উদ্বেগজনক।

‎তবে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্ত ও দুর্গম এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হলেও ক্যামেরার সামনে কেউ কথা বলতে রাজি হননি। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়