শিরোনাম
◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি ◈ পা‌কিস্তা‌নের সা‌বেক ক্রিকেটার বা‌সিত আ‌লি বল‌লেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল ◈ প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, আসছে নতুন বিধান

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিশালাকৃতির ‘বোমা’ উদ্ধার: ১০ বছর ধরে ব্যবহৃত হতো কাপড় ধোয়ার কাজে

কক্সবাজারের রামুতে একটি বোমা সদৃশ বড় আকৃতির বস্তু পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে সেই বস্তুটি নিরাপদ স্থানে সংরক্ষিত করে রেখেছে পুলিশ।

উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী (৮নং ওয়ার্ড) এলাকায় গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সম্ভাব্য বস্তুটি সংরক্ষণ করে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে বস্তুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহার হওয়া অবিস্ফোরিত কিংবা অকার্যকর বোমা বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়ছেন ১০ বছর আগে ওই এলাকায় একটি পুকুরে সেটি পাওয়া যায় এবং পুকুরের পাশে কাপড় ধোঁয়ার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছিল।

তিনি বলেন, বোমাটির সংরক্ষণ স্থান নজরদারিতে রয়েছে, সেনাবাহিনীকে অবহিত করা হলে তারা পরিদর্শনে এসেছেন। বোমাটির কার্যকরিতা ও এর মধ্যে বিস্ফোরক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রামুর ইতিহাস গবেষক ও আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া বলেন, বস্তুটির আকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা এবং সেসময়ে এই অঞ্চলে জাপানিরা যুদ্ধকালীন এমন বোমা ব্যবহার করেছে। যদি এর মধ্যে বিস্ফোরক থাকে তাহলে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিষ্ক্রিয় করতে হবে এবং না থাকলে সংরক্ষণ করা উচিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে। কারণ এটি রামুর ইতিহাসের অংশ।

বোমা সদৃশ বস্তুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ রামুর জনসাধারণের মাঝে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়