শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৩৯ দুপুর
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাঁচ দিনে ঢুকেছে অন্তত ৫০০ গরু, বাংলাদেশে আসার অপেক্ষায় মিয়ানমার সীমান্তে হাজার হাজার বার্মিজ গরু

মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা। সূত্র: আজকের পত্রিকা প্রতিবেদন

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বড় অংশ এখন দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশের সঙ্গে লাগোয়া সীমান্তের প্রায় ২৮২ কিলোমিটার এলাকায় থাকা বহু সীমান্তচৌকিও কার্যত তাদের দখলে। এটিকে কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া চোরাকারবার চালিয়ে যাচ্ছে তারা। খাবার, পোশাক থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর একটি বড় অংশ তারা বাংলাদেশ থেকে চোরাই পথে নিয়ে যায়। বিপরীতে দেশে ঢুকছে গবাদিপশু, ইয়াবা, অস্ত্রসহ নানা অবৈধ পণ্য।

বিশেষ করে নাইক্ষ্যংছড়ির প্রায় ১০০ কিলোমিটার পাহাড়ি ও জঙ্গলাকীর্ণ সীমান্তকে নিরাপদ করিডর হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। এই এলাকায় গভীর বন, পাহাড়ি ঝিরি আর অসংখ্য সরু পথ রয়েছে। মূলত এসব গোপন রুট দিয়েই রাতের আঁধারে গরু পাচার হয়।

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা জেবরমুল্লুক, ছৈয়দ হোসেন ও আবদু মান্নান জানান, কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর এক মাস ধরে আবার বার্মিজ গরু পাচার শুরু হয়েছে। অর্থ সংকটের কারণে মিয়ানমারের চোরাকারবারিরা দ্রুত গরু বিক্রি করতে মরিয়া। এ জন্য তারা বাংলাদেশ অংশের ঘুমধুম, তুমব্রু, সোনাইছড়ি, নিকুছড়ি, ফুলতলী, জামছড়ি, ধর্মেরছড়া ও পাইনছড়ি পয়েন্টের সক্রিয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে পাচারের অপেক্ষায় থাকা ৭ হাজার গরুর মধ্যে প্রায় ৫ হাজার রাখা হয়েছে ৪৭ থেকে ৫৪ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকার ওপারে। বাকিগুলো সোনাইছড়ি ও ঘুমধুম সীমান্তে জড়ো করা হয়েছে। এর মধ্যে গত পাঁচ দিনে অন্তত ৫০০ গরু বাংলাদেশে ঢুকেছে। অনেক গরু আবার জঙ্গলপথে ঘুমধুম, সোনাইছড়ি ও চাকঢালা হয়ে কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও চকরিয়ায় পাঠানো হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গত রোববার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী বাজারের প্রায় তিন কিলোমিটার উত্তরে মাল্টা বাগান এলাকা থেকে ৪২টি গরু জব্দ করা হয়। আগের দিন জব্দ করা হয় আরও ১৩টি। সোমবার ব্যাটালিয়ন সদরে প্রকাশ্যে নিলামে সেগুলোর দাম ওঠে ৮০ লাখ ২১ হাজার টাকা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. কপিল উদ্দিন কায়েস গরু জব্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে পাচারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। সীমান্তের অপর অংশে দায়িত্বে থাকা ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খায়রুল আলম বলেন, যেকোনো ধরনের চোরাকারবার ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়