শিরোনাম
◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও ◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত : ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:৫৫ রাত
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার ভারত থেকে ইলিশ এল বাংলাদেশে, বেনাপোল বন্দরে ৫৩ কাটুন আটক

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় ট্রাক থেকে ৫৩ কাটুনে ৫৯৪৩ কেজি ইলিশের বড় একটি অবৈধ চালান আটক হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বিজিবির তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নাম্বার ট্রান্সশিপমেন্ট থেকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ইলিশের চালানটি আটক করে।

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বৈধ পথে ইলিশ আমদানি করেন জান্নাত এন্টার প্রাইজ। রফতানিকারক ছিলে আরজে এন্টার ন্যাশনাল। শুল্কফাঁকি দিয়ে বেনাপোল বন্দর থেকে ইলিশের চালান পাচারের চেষ্টা করছিল বহুল আলোচিত শান্তর মালিকাধীন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিংক এন্টার ন্যাশনাল। 

বুধবার দুপুরে বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা উদ্ভব চন্দ্র পাল জানান, ইলিশ সাধারনত ভারতে গেলেও এবার ভারত থেকে আসতে দেখা গেছে।

গোপন খবর আসে মিথ্যা ঘোষনা দিয়ে ইলিশ মাছ আমদানি করে বিপুল পরিমানের রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট। পরে ভারতীয় দুটি মাছের ট্রাকে অভিযান চালিয়ে ৫৩ কাটুন ইলিশ উদ্ধার করা হয়। অবৈধ ইলিশের চালানটি অকশানের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস।

বন্দর সুত্রে জানা যায়, এক শ্রেনীর দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের শুল্কফাকির কারনে চলতি অর্থবছরের ৬ মাসে ১০১৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘটতি হয়েছে। চিহ্নিত শুল্কফাঁকিবাজ দের মধ্যে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী শান্ত আলোচিত। এসব অনিয়মের সাথে কাস্টমসের এক শ্রেনীর দূর্নীবাজদের সখ্যতা রয়েছে। অপরাধীরা ধরা পড়লেও বিভিন্ন কৌশলে তাদের লাইসেন্স কাস্টমস কর্মকর্তারা বাঁচিয়ে দিয়ে আবারো ব্যবসার সুযোগ করে দেয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়