শিরোনাম
◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা! ◈ প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম গুরুতর অসুস্থ, সিসিইউতে চিকিৎসাধীন ◈ বিশ্বকাপ, যুক্তরা‌স্ট্রে নামতেই ৭ ঘণ্টা ধরে জেরা ইরা‌কের তারকা ফুটবলার আইমেন হো‌সেন‌কে

প্রকাশিত : ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩৯ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যশোরে বিএনপি নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা

আজিজুল হক, বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে (৫২) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শংকরপুর এলাকায় নয়ন কাউন্সিলরের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে। তিনি শংকরপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

নিহতের বড়ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর একটি মোটরসাইকেলে চড়ে বটতলা থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। তিনি হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে পৌঁছালে কে বা কারা তাকে গুলি করে। সংবাদ পেয়ে তিনি সদর হাসপাতালে এসে তার ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান। বিএনপির সাত নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন জানান, নিহত আলমগীর হোসেন সাত নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং নগর বিএনপির সাবেক সদস্য।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার বিচিত্র মল্লিক জানান, নিহতের মাথার দুপাশে দুটি গুলির চিহ্ন আছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মমিনুল হক জানান, তারা জেনেছেন শংকরপুর ইসহক সড়কে বিএনপি নেতাকে গুলি করা হয়েছে। তার কপালে ও মাথায় দুটি গুলি লেগেছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানার এবং আসামি আটকের চেষ্টা করছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, আলমগীর হোসেন অনেক আগে থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি পেশাগত জীবনে এলাকায় জমি কেনা-বেচায় জড়িত। ছোটভাই কামরুজ্জামান তার এই ব্যবসায়ের পার্টনার।

তিনি এলাকায় খুব সজ্জন মানুষ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে গরিব-দুঃখি মানুষ তার কাছ থেকে অনেক উপকৃত হয়েছেন। আলমগীর হোসেনের মোঝোমামা হাফিজুর রহমান মাস্টার এবং নোয়ামামা তৈয়বুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে জড়িত। তার আর এক মামা প্রয়াত আকবার হোসেন ওরফে আকবার ডাক্তারও ছিলেন জামায়াতের স্থানীয় নেতা।

আলমগীর হোসেনের মামাতোভাই শাহেদ হোসেন নয়ন ছিলেন যশোর পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্যক্তিজীবনে আলমগীর হোসেনের সাথে কারো কোনো বিরোধের কথা শোনা যায়নি। তিনি দিনের অধিকাংশ সময় ব্যবসায়ের কাজে যুক্ত থাকতেন। এরমাঝে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তিনি। ফলে, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা কেউ অনুমান করতে পারছেন না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়