শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:০৯ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেরপুরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন পুরাতন কাপড়ের দোকানে

তপু সরকার হারুন, শেরপুরঃ শেরপুরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় সাধারণ মানুষ গরম কাপড়ের জন্য ভিড় জমাচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ দোকান ও পুরাতন কাপড়ের দোকানে। প্রতিদিন বিকেল থেকে শেরপুর থানা মোড় থেকে নিউমার্কেট মোড় ফুটপাত এবং শেরপুর বিভিন্ন হাটে ভ্রাম্যমাণ শীতের কাপড়ের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আজ বৃহস্প্রতিবার রাতে সরেজমিনে শেরপুর রঘুনাথ বাজার থানা মোড়, নিউমার্কেট মোড় হয়ে খরমপুর মোড়-মুন্সিবাজার গিয়ে দেখা যায়, ভ্রাম্যমাণ ও পুরাতন শীতের কাপড়ের দোকানে শীতবস্ত্র কিনতে দূর-দূরান্ত থেকে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। স্থানীয় বিক্রেতা মুখলেছুর রহমান বলেন, আমরা পুরাতন জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার ও মোজা বিক্রি করি। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা রেজাউল করিম জানান , এখানে ক্রেতাদের সামথের্র মধ্যে বিভিন্ন দামে শীতের কাপড় পাওয়া যায়। ২শ’ টাকা থেকে ৫শ’ টাকার মধ্যে জ্যাকেট, ১শ’ টাকা থেকে ২শ’ টাকার মধ্যে সোয়েটার বিক্রি করে থাকি।

মুন্সি বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমান দোকানে শিশুবাচ্চাদের কাপড় কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন। অনেক কম দামে এখানে শীতের কাপড় বেচাকেনা হওয়ায় ক্রেতারা ছুটে আসেন বিভিন্ন এলাকা ও গ্রাম থেকে। গত ৭২ ঘণ্টায় শেরপুরে শীতের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়া দুর্ভোগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

শেরপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার ছিন্নমূল মানুষগুলো এক টুকরো গরম কাপড়ের জন্য তাকিয়ে
সমাজের বিত্তবানদের দিকে। তবে সরকারি-বেসরকারিভাবে দ্রুত শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু না হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ কাপড় কিনতে ছুটছেন পুরাতন কাপড়ের দোকানে। এ ব্যাপারে শেরপুর সদর উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবা হক, সাথে কথা হলে তিনি জানান এ পযন্ত শেরপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের প্রতিটি ইউপিঃপরিষদে সরকারী ভাবে ১৬০পিস কম্বল বরাদ্দ পাওয়া –দেয়া হয়েছে ।

এছাড়াও শেরপুর জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাতে শহরের ছিন্নমুল মানুষদের মাঝেও কম্বল বিতরন করছে ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়